ali-mahmed.com
"ন্যানো ড্রাইভটা ফেলেছি হারিয়ে/ যেটায়—রাখা ছিল ৮০০ কোটি/ মানুষের, ডিএনএ প্রোফাইল।"
Tuesday, February 24, 2026
গুন্ডামি, সেকাল—একাল!
আমাগো একজন মহামান্য রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন চুপ্পু!
আমাদের এখনকার রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন চুপ্পু পূর্বের রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের মত না; যে আব্দুল হামিদের মত হরেদরে এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়েও প্রিয়াংকা চোপড়াকে নিয়ে রসিকতা করবেন।
তাই দুষ্ট পোলাপানরা যখন এমন কমপ্লিমেন্ট নিয়ে আলোচনা শুরু করল:
যাই হোক, আজ আমাদের মহামান্য রাষ্ট্রপতি একটা সাক্ষাৎকার দিয়েছেন কালের কন্ঠকে [*]।
এইসব আসলে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় না! মহামান্যের ট্রেন ঝড়ের গতিতে ছুটছে আর আমরা সামান্যরা ট্রেনে বসে আছি। ট্রেন এবং আমরা পাবনা-ঢাকা, ঢাকা-পাবনা যাতায়াতের সময় একসঙে থাকব কিনা সেটাও এখানে আলোচ্য বিষয় না...!
... ... ...
*সদয় অবগতি:' কালের কন্ঠ' (এটা টাইপ করার সময় আমি খুব সাবধানে থাকি কারণ 'ক'-এর স্থলে 'ব' হয়ে গেলে সর্বনাশ হয়ে যাবে! একবার এক লেখায় মহাজাতকের জায়গায় মহাঘাতক লিখে গোলমাল হয়ে গিয়েছিল। ভাগ্যিস, তখন সঞ্জীব চৌধুরী সামলে নিয়েছিলেন।
এবার নিজেকে নিজেই ধন্যবাদ দেই কারণ এবার আর গোলমাল হয়নি!)
Sunday, February 22, 2026
আফগানিস্তান-বাংলাস্তান!
আফগানিস্তান এমন এক জাতি যাদের কেউ পরাস্ত করতে পারেনি! না সুপার পাওয়ার রাশিয়া, না আমেরিকা! এ এক বিস্ময়!
নাগরিককে আবার ৪টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে! সর্বোচ্চ শ্রেণিতে থাকবেন উলেমা এবং মোল্লারা। এই শ্রেণি যদি কোনও অপরাধ করে, তাহলে স্রেফ কিছু উপদেশ দিয়ে মুক্তি দেওয়া হবে। দ্বিতীয় শ্রেণিতে আশরাফ বা উচ্চবিত্তরা। তাদের অবশ্য অপরাধের শাস্তিস্বরূপ যেতে হবে আদালতে। তবে সেখানে কিছু উপদেশ দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হবে।
তৃতীয় শ্রেণিতে থাকবেন মধ্যবিত্ত আফগানরা। তাঁরা অপরাধ করলে যথাযথ তদন্ত করে শাস্তি পেতেই হবে। কারাদণ্ড পেতেই পারেন তাঁরা। একেবারে শেষ শ্রেণিতে রাখা হয়েছে দরিদ্রতম আফগানদের। তাঁরা অপরাধ করলে কারাদণ্ড, মৃত্যুদণ্ডের মতো সাজা দেওয়া হবে।
মহিলাদেরকে স্বামী মারতে পারবেন তবে হাড় ভাংগা যাবে না এবং দৃশ্যমান আঘাত করা যাবে না।
এই বিষয়ে ধর্মীয় শিক্ষক আল্লামা মামুনুল হক এক সাক্ষাৎকারে ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তার ব্যাখ্যা জানার পূর্বে এটা জানাটা সমীচীন, যিনি দেশের এক-ক্রান্তিলগ্নে (এনসিপি নেতাদের মত হাওয়া খেতে কক্সবাজার চলে যাওয়া) রিসোর্টে ছিলেন। অবশ্য তিনি ছিলেন অন্য নারীকে নিয়ে:
যাক, একজন ধর্মীয় শিক্ষক, একজন আল্লামা যখন বলেছেন কোরানের আলোকে এই সমস্ত কর্মকান্ড সবৈব সত্য এরপর আর কথা চলে না।
আল্লামা মামুনুল হক অন্য-এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন তারা ক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশেও শরিয়া আইন চালু করবেন। তখন বাংলাদেশ হবে 'বাংলাস্তান'—রাতদিন বাজবে এই ওয়াজ:
Saturday, February 21, 2026
আমার ভাষা, আমার হাসি-কান্না-চিৎকার!
কখনো-কখনো, কেউ-কেউ, কেমন-কেমন করে যেন অযাচিত ভালবাসা পেয়ে যায়! নইলে আমার মত এক-অভাজন ফেব্রুয়ারির এক পড়ন্ত বিকেলে জাতীয় শহীদ মিনারের মত একটা জায়গায় দাঁড়াবার দুঃসাহস করে কেমন করে!
ছবির এই ৪ জনের মধ্যে এঁরা ৩ জনই অতি বিখ্যাত কেবল এই অধমই অখ্যাত।
আবার ছবির এই ৪ জনের মধ্যে ৩ জনই অন্য ভুবনে চলে গেছেন। কেবল আমার মত অকাজের মানুষটাই বেঁচে আছে। মেঘে-মেঘে বেলা হয়ে যাচ্ছে—সময় ফুরিয়ে আসছে ক্রমশ। অথচ কিছুই করা হলো না—কেবল একজন 'পাইপমানুষ' (যারা পৃথিবীতে আসে খেতে এবং বর্জ্য ত্যাগ করতে)!
ওখানে আমাকে কিছু-একটা বলার জন্য বলা হয়েছিল! আমি এলোমেলো মাথা এবং ছাপাছাপি চোখ নিয়ে বুঝে উঠতেই পারছিলাম না কেমন করে বলব, কী বলব?
পূর্বে আমারই এক লেখা থেকে ধার করে খানিকটা ওখানে বলে পার পেয়েছিলাম [১]:
"ইউনেসকোর তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের ছয় হাজার ভাষার মধ্যে প্রায় আড়াই হাজার ভাষা হারিয়ে যাচ্ছে।
লাটভিয়ায় ‘লিভোনিয়ান’ ভাষায় কথা বলেন এমন একজনই মাত্র জীবিত আছেন, তিনি মারা গেলে সেই ভাষারও মৃত্যু হবে। এটা ২০০৯ সালের কথা, এরিমধ্যে তিনি মারা গেছেন কিনা আমি জানি না।
আলাস্কার ‘আইয়াক’ ভাষা জানা শেষ ব্যক্তিটি মারা যান ২০০৮ সালে। তাঁর সঙ্গেই মৃত্যু হয় ‘আইয়াক’ ভাষার।
যে আড়াই হাজার ভাষা এই গ্রহ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে তার মধ্যে আমাদের বাংলা ভাষাও থাকতে পারত কিন্তু আমাদের অপার সৌভাগ্য আমাদের বাংলা ভাষা যে কেবল টিকেই আছে এমন না, আছে সদর্পে, সীমাহীন গৌরবে!বাংলা নামের আমাদের মায়ের ভাষা—এটা তো আর এমনি-এমনি হয়নি, কেউ আমাদেরকে এটা মুফতে-দানে দেয়নি! এর জন্য আমরা কেবল দিনের-পর-দিন, মাসের-পর-মাস, বছরের-পর-বছর ধরেই লড়াই করিনি; লড়াই করেছি যুগের-পর-যুগ ধরে!এই দেশের অসংখ্য সেরা সন্তান তাঁদের রক্ত অকাতরে বিলিয়ে গেছেন আমাদের জন্য। আমাদের বেদনার কথা যে অক্ষর দিয়ে লিখি সেই কালির সঙ্গে মিশে আছে তাঁদের রক্ত। জান্তব স্বপ্ন নামের সেই মানুষগুলোর অনেকেই আজ নেই কিন্তু তাদের মায়াভরা সুশীতল ছায়া ছড়িয়ে আছে আমাদের মাথার উপর।
তাঁদের ছায়ার পাশে যখন আমার মত অভাজন দাঁড়াই তখন নিজেকে কী ক্ষুদ্র, লজ্জিতই না মনে হয়। নতচোখে স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে না-থেকে কোন উপায় থাকে না।"
...
গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি, জনাব. শংকর সাঁওজালকে:
Friday, February 20, 2026
এক লজ্জাশীল প্রকাশক, মঈনুল আহসান সাবের!
প্রকাশক ঈশ্বরতুল্য! অন্তত একজন লেখকের চোখে। কারণ এই প্রকাশকই নির্ধারণ করে দেন কে লেখক, কে পাচক!
"...দেবতা তবুও ধরেছে মলিন ঝাঁটা/ স্পর্শ বাঁচিয়ে পুণ্যের পথে হাঁটা..."
এঁরা দেবতা-দেবতা! সাক্ষাৎ দেবতা! দয়ার শরীর—ধরায় আছেন বলে নইলে আকাশলোকে থাকতেন। ইনি আবার কেবল দেবতাই নন, পাখা লাগানো দেবতা—একজন লেখকও! ইদসংখ্যার আবেদন এই প্রজন্ম বুঝবে না—সম্ভবত তখন বিচিত্রায় 'পাথর সময়' ছাপা হয়েছিল মঈনুল আহসান সাবেরের!
তখনই দিব্য প্রকাশনীর মঈনুল আহসান সাবেরের সঙ্গে দেখা করেছিলাম। লেখা প্রসংগে তখন তিনি কিছুই জানতে চাইলেন না, চাবানো-চাবানো ছোট্ট উত্তর ছিল:
আমরা (একজন লেখক কাম প্রকাশক) অথরের (লেখকের) ফিন্যান্স ছাড়া বই ছাপি না।
তো, একজন মননশীল লেখক এবং একজন সৃজনশীল প্রকাশক সাবের স্যারের কাছে সবিনয়ে বলি:
বই ছাপাতে লেখককে যদি আপনাকে টাকাই দিতে হয় তাহলে লজ্জা পাবেন না, স্যার; তারচেয়ে, ঠাঠারি বাজার ওরফে কাপ্তান বাজারে গিয়ে ইয়ের মাংস বিক্রি করেন। কথা দিচ্ছি, আপনার দোকান থেকে আস্ত-এক 'ইয়ের রান' কিনব। তবুও স্যার, লজ্জা পাবেন না!
ওহ, আরেকটা কথা স্যার, কেবল নগ্ন গাত্রই অশ্লীল না—আপনার মত একজন লেখক অন্য লেখকের টাকায় বই ছাপিয়ে যেটা করেন ওটাও এক প্রকার অশ্লীলতা। আর আপনার মত প্রকাশক মহোদয়গণ আমের সঙ্গে যে গুটিও খেয়ে ফেলেন মানে লেখকের রয়্যালটির টাকা না-দেওয়ার প্রবণতা এটাও এক ধরনের চোট্টামি [*]!
* চোট্টামির ভাল অর্থ আমি জানি না। সম্ভবত চুরি-চামারির সঙ্গে একটা যোগসূত্র আছে।
সূত্র: স্ক্রিনশট, ১: মঈনুল আহসান সাবের স্যারের ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে নেওয়া। স্যারের প্রতি ঋণ এবং কৃতজ্ঞতা।
স্ক্রিনশট, ২: একজন ফয়সাল আরেফিন দীপন: https://www.ali-mahmed.com/2015/12/blog-post.html?m=1
স্ক্রিনশট, ৩: প্রকাশক: দ্বিতীয় ঈশ্বর: https://www.ali-mahmed.com/2009/10/blog-post_15.html?m=1
...
আপডেট: ২০ ফেব্রুয়ারি:
Monday, February 16, 2026
নইম নিজামরা এবং একপেট আবর্জনাগুলো!
Sunday, February 15, 2026
'একটু অভয় দিলে বলি', বললেন, হায়, 'তেল খালেদ'।
খালেদ মুহিউদ্দিন, একটা আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় কাজ করা দুঁদে সাংবাদিক[১] বলছে, 'একটু অভয় দিলে বলি...'!
আর তারেক জিয়াকে প্রশ্ন করে খালেদ মুহিউদ্দিন যে ভঙ্গিতে গা দুলিয়ে হাসলেন—আমি বারবার যেটা বলি কেবল নগ্ন গাত্রই অশ্লীল না! কোন একটা গুরুত্বপূর্ণ সভায় যেমন টেবিলে দাঁড়িয়ে 'ধুম মাচাদে-ধুম মাচাদে, ধুম-ধুম...', গান গাওয়া চলে না তেমনি এমন একটা ভঙ্গিতে গা দুলিয়ে হাসাও।
সুত্র:
১. খালেদ মুহিউদ্দিন জানতে চায়: https://www.ali-mahmed.com/2020/10/dw.html?m=1
Thursday, February 12, 2026
সনদ-বিক্রেতা।
'দেশবিরোধী সার্টিফিকেট' বিলি করেন ইনি:
ইনি কে? একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধকালের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ থেকে খালাস পাওয়া জামায়াত নেতা, এ টি এম আজহারুল ইসলাম।
আজহারুল ইসলামের মৃত্যুদন্ডের বিরুদ্ধে আপিল সর্বসম্মতিতে মঞ্জুর করেছিলেন আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের বেঞ্চ এই রায় দেন। এই নিয়ে মন্তব্য করা থেকে বিরত রইলাম!
কিন্তু এই লোক ১৯৭১-কে স্রেফ অস্বীকারই করছে না, উপেক্ষা করছে অন্য ভূবনের নিতল কষ্টের কথা! একজন আলতাফ মাহমুদ ৭১-এ কেমন ত্যাগ স্বীকার করেছেন তা এই প্রজন্ম বিস্মৃত হয়েছে :
"যারা ৭১ নিয়ে মায়াকান্না করবে তারা বাংলাদেশ-বিরোধী!"
Saturday, February 7, 2026
পুলিশ: সেকাল—একাল!
পুলিশ বলছে, 'আয়, হাদির লাশ নিয়ে যা'। এটা পুলিশ ভুল বলেছে! এটা বলাই সমীচীন ছিল, আয়, 'হাদির কঙ্কাল নিয়ে যা'।
Tuesday, February 3, 2026
একে গ্রেফতার করতে হবে, এখনই...
খালেদুজ্জামান, এই লোকটা ক্যান্টনমেন্টের ভেতরে আর্মিকে যে ভঙ্গিতে বলছে:
"(আপনাদের) বহুত বড়-বড় অফিসাররা আমাদের পা ধরছে...আমরা এই রকম কুকুরের মত পা-চাটা হই নাই...আপনারা গোলামি করছেন...আপনারা গান নিয়ে বসে আছেন...একদম জিহবা দিয়া চাইটা ফেলতাছেন, তারেক জিয়ার জন্য...।"
আমার যতটুকু মনে পড়ে, খালেদা জিয়া তখন প্রধানমন্ত্রী। থাকতেন ক্যান্টনমেন্টে। তারেক জিয়া অসময়ে বা নিয়ম বহির্ভূত ভাবে গভীর রাতে বাসায় যেতে চাইলে এক ক্যাপ্টেন সারা রাত তাকে এমপি পোস্টে বসিয়ে রাখেন। এটা পত্রিকায় নিউজ হয়েছিল।
আর এই লোক অস্ত্র সহ গানম্যান নিয়ে ঢুকবে আবার এমন উদ্ধত ভঙিতে কথা বলবে! এ নিজের পরিচয় দিচ্ছে, তারেক জিয়ার বিরুদ্ধে ঢাকা ১৭ আসনের এমপি প্রার্থী খালিদুজ্জামান।
এই লোক এখনও এমপি হয়নি—হলে, থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র দিয়ে তো প্যারালাল ক্যান্টনমেন্ট গড়ে তুলবে। যদি ২৪ ঘন্টার মধ্যে একে গ্রেফতার না-করা হয় তাহলে গুচ্ছের টাকা খরচ করে সেনাবাহিনী পোষার কোন প্রয়োজন নেই। সেনাবাহিনী কী কেবল ট্রাস্ট গ্রুপ নাম দিয়ে ব্যবসা করার জন্য? এমন 'ব্যবসাবান্ধব সেনাবাহিনী' দিয়ে আমরা কী করব!
Monday, February 2, 2026
পুরুষ ইতর—মহিলা ইতর!
ইতর তো ইতরই, তার আবার জেন্ডার কী! আহা, লেডিস ফার্স্ট বলে একটা কথা আছে না। তো, লেডিস, আ মিন মহিলা, 'মহিলা ইতর' দিয়েই শুরু করি:
ব্যক্তিগত ভাবে কেউ হাদির চেহারা, তার গালি জাস্টিফাই করার প্রচেষ্টা, তার আইডোলজি অপছন্দ করতেই পারেন কিন্তু হাদির মৃত্যু নিয়ে এই মহিলা ইতরের যে উল্লাস, ডাইনির হাসি তা সব ছাপিয়ে যায়, ইতরকেও! সমস্যা হচ্ছে, 'চৌকিদারের নীচে চাকরি নাই', এটা জানি কিন্তু ইতরের নীচে 'কোন তর'?, এটা জানি না!
এবার আসি পুরুষ ইতরের কথায়:
Sunday, January 25, 2026
আমি শোক জানাতে চাই না, পালাতে চাই!
আগে 'শিবির' বলে যে-কাউকে ফট করে মেরে ফেলা বা চরম অন্যায় করাটা যেমন ডালভাত ছিল এখন 'আওয়ামীলীগ' বলে!
কিছুই বদলায়নি—কিছুই বদলায় না! কেবল বদলায়—আমরা ক্রমশ মানুষ থেকে দানবে রূপান্তরিত হই। শুয়োরের মত বলার চেষ্টা করি, পূর্বে এরা এমন করেছিল তাই এখন এমন করাটাই সমীচীন। আমরা সাফ-সাফ বলে দেই, আগেও আমরা গু-খেকো শুয়োর ছিলাম এখনও তাই!
তাই বিবিসি'র প্রতিবেদনেও এর খানিকটা আঁচ করা যায়:
আহারে জীবন!
কারণ বাবার যে প্যারোলে মুক্তি মেলেনি! সরকার বাহাদুর বলেছেন, প্যারোলের জন্য নাকি আবেদনই করা হয়নি:
কোন শালা কবে দেখেছে 'সরকারি প্রেসনোট' সত্য হয়! না, হয় না, সরকার মিথ্যুক! সাদ্দামের পরিবার আবেদন করেছিলেন:
এই তথ্য ব্যতীত সাদ্দামের পরিবারের লোকজনেরাও স্পষ্ট করে বলছেন, আবেদন করা হয়েছিল:
গোটা দেশ যেখানে নগ্ন হয়ে পড়ে সেখানে আমাদের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এই আকাশ-কাঁপানো অনাচার নিয়ে কথা বলতে আগ্রহী না। তিনি ব্যাকুল হয়ে আছেন কৃষি নিয়ে, আলু নিয়ে কথা বলতে:
আমার লেখালেখির শপথ, সমস্তটা জীবন এই অনুভূতির মাঝে শ্বাস ফেলেছি, এই দেশেই যেন আমার মৃত্যু হয় কিন্তু এখন কেবলই মনে হয়, পালাতে হবে, অন্য কোথাও...!
Saturday, January 17, 2026
একজন মাচাদো এবং একজন মাদাচো!
'শান্তিতে নোবেল' কেন যেন ক্রমশ নো-বেল হয়ে যায়! কোথায়, কীসের যেন একটা ঝামেলা আছে।
যেমন ধরুন, ওবামা। কেন নোবেল পেয়েছেন ওবামা নিজেও সম্ভবত জানেন না। কেবলমাত্র গদিতে বসেছেন—কেরামতি দেখাবার পূর্বেই ক্যারামবোর্ডের গুটির মত উঠিয়ে গলায় নোবেল ঝুলিয়ে দিল।
এমন উদাহরণ দেশে-দেশে! হালে মাচাদো শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন:
Friday, January 9, 2026
অপারেশন অয়েলহেভেন!
লেখক: Ratul Khan
"অন্ধকার হতেই চারদিক ঘিরে ফেলল ডেল্টা-সীল ফোর্সের ১২ জন চৌকষ কমান্ডো।
অত্যাধুনিক সরঞ্জামে সজ্জিত মার্কিন এলিট ফোর্স ডেল্টা'র ৮ জন এবং সীল'র ৪ জনের সমন্বয়ে গঠিত ১২ সদস্যের চৌকষ এই দলটির নেতৃতে আছেন মেজর জেমস রোলিন্স, যার কোডনেম 'ডেল্টা ওয়ান'। তাঁরা যে টপ সিক্রেট মিশনে এসেছেন তার কোড নেম 'অপারেশন অয়েলহেভেন', পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ তেলক্ষেত্র দখলের কমান্ডো মিশন!
তেলের জন্য একের পর এক দেশ আক্রমণ করে তীব্র সমালোচনার মুখে থাকা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোলান ট্রাম নতুন কৌশল নিয়েছেন। পুরো দেশ আক্রমণ না করে শুধু্মাত্র বৃহৎ তেলক্ষেত্রটি দখলে নেবেন।
মেজর রোলিন্স তাঁর দলের কমান্ডোদের সাথে শেষ মুহুর্তের যোগাযোগ সেরে নেয়ার উদ্দেশ্যে হাতের সাথে লাগানো কমিউনিকেশন ডিভাইস মুখের কাছে নিয়ে আসলেন।
- ডেল্টা ওয়ান কলিং ডেল্টা সেভেন। ডু ইউ কপি?
- কপি ডেল্টা ওয়ান।
- ইজ এভরিওয়ান ইন পজিশন?
- পজিটিভ, ডেল্টা ওয়ান।
- গুড। ঠিক আটটা বাজতেই আমরা আক্রমণ করব। ওভার।
- রাইট স্যার। ওভার অ্যান্ড আউট।
অন্ধকারে লুমিনাস ঘড়িটার দিকে তাকালেন মেজর, আটটা বাজতে আর মাত্র কয়েক মিনিট বাকি। মেজর রোলিন্স স্বস্তি বোধ করলেন, এভরিথিং ইজ গোয়িং অ্যজ প্ল্যানড। তেলক্ষেত্রের নিরাপত্তা ব্যাবস্থা দেখে এই পরিস্থতিতিতেও হাসি পেল মেজরের, পুরো সিকিউরিটি সিস্টেম অ্যানালাইসিস করে নিশ্চিত হওয়া গেছে দশ জনের একটা সুদক্ষ কমান্ডো ইউনিটই যথেষ্ট তেলক্ষেত্রটি দখলের জন্য। বাড়তি সতর্কতা হিসেবে আরও দুজনকে দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আরেকবার ঘড়ির দিকে তাকালেন মেজর রোলিন্স, আটটা বাজতে এক মিনিট বাকি। ঘড়িটার একটা সুইচে চাপ দিলেন মেজর, সাথে সাথে প্রত্যেক কমান্ডোর হাতের ঘড়িতে সিগন্যাল পৌছে গেল।
অন্ধকারে কমান্ডোরা ভুতের মত নিঃশব্দে একে একে দেয়াল টপকে ঢুকে পরল তেলক্ষেত্রের সীমানায়, চোখে বিশেষ নাইট গ্লাস থাকায় প্রায় দিনের মতই পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছে তাঁরা। প্রথমেই মূল গেটের কাছে থাকা চারজন নিরাপত্তারক্ষীকে নিরস্ত্র করে ফেলল দুজন কমান্ডো, বাধা দেয়ার কোন সুযোগই তাঁরা পেল না। তারপর ছুটলো মূল ভবনের দিকে। নিতান্ত বাধ্য নাহলে রক্তপাতের কোন ইচ্ছে নেই কমান্ডোদের।
অপারেশন শুরুর মাত্র আড়াই মিনিটের মাথায় প্রায় বিনা বাধায় এবং সম্পূর্ন বিনা রক্তপাতে দখল হয়ে গেল তেলক্ষেত্র। দশ মিনিটের মধ্যেই তেলক্ষেত্রে কর্মরত বেশির ভাগ কর্মীকেই একটা বড় রুমে এনে ঢোকানো হল। হাতে একটা স্মিথ এন্ড ওয়েসন পিস্তল হাতে মেজর রোলিন্স পায়চারী করতে লাগলেন।
তার মুখ অস্বাভাবিক রকম গম্ভীর, বিজয়ের আনন্দ ঠিক যেন উপভোগ করতে পারছেন না। 'এটা পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম তেলক্ষেত্র'— এরকম ইনফরমেশন কনফার্ম করার পরই এই মিশনটা চালানো হয়েছে, অথচ চারদিকের পরিবেশ দেখে এটাকে মোটেই কোন তেলক্ষেত্র বলে মনে হচ্ছে না! বরং...' একজন তরুন কমান্ডো কথা বলে ওঠায় চিন্তাসূত্র ছিন্ন হল মেজরের।
- স্যার, তেল পাওয়া গেছে!
- গুড! কোথায়? আমাকে নিয়ে চল সেখানে!
- যেতে হবে না স্যার! আমি সাথে করে নিয়ে এসেছি! --- দুহাত তুলে দুটো প্লাস্টিকের ট্যাঙ্কি দেখাল তরুন কমান্ডো। একটা তেলে পরিপূর্ন, আরেকটা প্রায় খালি।
- হোয়াট! আর ইউ কিডিং মি সোলজার! হোয়াট ডু ইউ থিঙ্ক, আমরা এই টপ সিক্রেট অপারেশন চালিয়েছি এই পৌণে দুই ট্যাঙ্কি তেলের জন্য!
- আর তো কোথাও পেলাম না স্যার, জেনারেটর রুমে এই ট্যাঙ্কি দুটো পেলাম, মিনমিন করে জানাল তরুন কমান্ডো।
- কিন্তু..., রেগে গিয়ে কিছু বলতে চাইলেন মেজর, কিন্তু থেমে গেলেন রুমের ভেতর সেলফোন হাতে আরেকজন কমান্ডো প্রবেশ করায়।
- স্যার, মিস্টার ডোলান ট্রাম লাইনে আছেন। মিশনের সফলতার জন্য আপনাকে ব্যাক্তিগত ভাবে অভিনন্দন জানাতে চান!
বিরস মুখে ফোনটা হাতে নিলেন মেজর, তারপর মুখে জোর করে হাসি টেনে এনে বললেন,
- মিস্টার প্রেসিডেন্ট?
- কংগ্রাচুলেশনস মেজর অন ইয়োর ব্রিলিয়ান্ট সাকসেস!
- থ্যাঙ্কস, মিস্টার প্রেসিডেন্ট। ইটস আওয়ার সাকসেস, স্যার।
- অফকোর্স, মেজর! বাট তোমার কন্ঠ এরকম শোনাচ্ছে কেন? ইজ দেয়ার এনি প্রোবলেম মাই বয়?
- স্যার, একচুয়ালি উই হ্যাভ ওয়ান! তেলক্ষেত্র দখল করেও দেড় ট্যাঙ্কির বেশি তেল পাওয়া যায়নি কোথাও!
- হোয়াট! ওনলি ওয়ান এন্ড হাফ টেঙ্কিস! তোমরা ঠিক তেলক্ষেত্রটাই দখল করেছ তো? বিএনপি কার্যালয়, গুলশ্যান, ড্যাকা, ব্যাংলাড্যাশ?
- পজিটিভ স্যার! আমরা এখন বিএনপি কার্যালয়ের রিসিপশন রুমে।
- এন্ড ইউ সি নো অয়েল? আর ইউ আউট অফ ইয়োর মাইন্ড মাই বয়? হ্যাভ ইউ সার্চড দ্য ভারপ্রাপ্টো চেয়ারপার্সন’স রুম? বিএনপির ভারপ্রাপ্টো চেয়ারপার্সন গেস্টদের সঙ্গে দেখা করেন যেখানে?
- নো, স্যার!
- ওহ পুওর বয়! গো রাইট নাও, এন্ড সি হু ইজ গিভিং হিম অয়েল। তবে সাবধানে পা রেখ, তেলে পিছলা খেয়ে আছাড় খেলে মাজা ভাঙতে পারে! হা হা হা!
মোবাইল কানে ধরে রেখেই প্রায় হতভম্ব অবস্থায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সনের রুমে উঁকি দিলেন মেজর। দেখতে পেলেন চেয়ারপার্সনকে বসুন্ধরা গ্রুপ তেল দিচ্ছে। মাত্র এক মিনিট দেখেই উচ্ছসিত হয়ে উঠলেন মেজর রোলিন্স,
- ইউ আর ড্যাম রাইট মিস্টার প্রেসিডেন্ট! রীতিমত তেলের বন্যা বইছে। জাস্ট লাইক আওয়ার নায়াগ্রা ফলস!
- হা হা হা! বলেছিলাম না, আমার কাছে তথ্য আছে! নাউ টেল মি মেজর, হাউ মেনি ব্যারেলস ক্যান উই গেট ডেইলি?
(সমাপ্ত) "
লেখক: Ratul Khan
...
* লেখক বলছেন লেখাটা 'শ্যাষ' ওরফে সমাপ্ত! কিন্তু আমরা পাঠক মনে করি এর শেষ নেই। 'বাংগুরাদেশে' এমন তেলের খনি আবিষ্কার হতেই থাকবে এবং বিভিন্ন পরাশক্তি হামলা চালাতেই থাকবে! বেচারা বাংগুরাদেশ [১]!
১. তেলের খনি: https://www.ali-mahmed.com/2025/12/blog-post_27.html?m=1
Saturday, December 27, 2025
আমাদের এক (নি...) ভিসি!
একটা দেশ সম্বন্ধে জানতে হলে প্রথমে তাকাবেন এয়ারপোর্টের দিকে, এরপর শিক্ষাঙ্গন। কে চালাচ্ছে, কীভাবে চালাচ্ছে—কে শেখাচ্ছে, কি শেখাচ্ছে?
ইনি এই ভিডিও ক্লিপে বলছেন:প্রথম শিশু মুক্তিযোদ্ধা হচ্ছেশিশু তারেক এবং শিশু আরাফাত!
এই যে ইতিহাস বিকৃতি, এই যে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অসত্য প্রলাপ, এই কারণে কি এই মানুষটার শাস্তি হবে না?
বেচারা ভিসি, মনে হয় তারেক জিয়ার বাসের সামনের উইন্ডশিল্ড-এর উপর দিয়েই হ্যান্ডশেক করার চেষ্টা করেছিলেন। হ্যান্ডশেকের বদলে 'গলাশেক' মানে গলাধাক্কা খেয়েছেন। বেচারা!
* সদয় অবগতি: (নি...) দিয়ে 'নিরীহ' হয়, (নি...) দিয়ে নির্ভিক হয়, 'নির্বোধ'ও হয়। ওহ, বাই দ্য ওয়ে, নির্লজ্জও হয়। প্রয়োগ, পাঠকের বিবেচনা...।
Thursday, December 25, 2025
আমাদের এক দানব, শহিদুল আলম!
* কৃতজ্ঞতা, স্ক্রিন শট: জনাব, শহিদুল আলমের ফেসবুক পোস্ট।
The tree that the corpse of Dipu Chandra Das was hung from and set on fire, was in the divider in the middle of a busy road. It happened in public and was allowed to happen!
দিপু চন্দ্র দাস নামের নিরীহ একটা মানুষকে ধর্মের দোহাই দিয়ে পিটিয়ে, উলঙ্গ করে, প্রকাশ্যে গাছে ঝুলিয়ে, আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারা হয়েছে এবং শত-শত মানুষ যে ভঙ্গিতে ভিডিও করেছে তা এই গ্রহের কোন যুক্তি দিয়ে ব্যাখ্যা করা চলে না।
কিন্তু আমাদের মহান শহিদুল আলম এটার এক 'মহান চুতিয়া' ব্যাখ্যা দিয়েছেন!
I understand how angry people are and the resentment towards the authoritarian Sheikh Hasina and her regime, as well as against India for sheltering killers, ...
ইনি নাকি বুদ্ধিজীবী! দিপু চন্দ্র দাসের বিষয়টা রাজনৈতিক ছিল না যে তিনি আওয়ামী লীগার বলে এমনটা করা হয়েছে!
এই লোক নাকি মানবিক মানুষ! আমার কাছে এখানে এসে শহিদুল আলমকে মনে হচ্ছে, এ একটা স্রেফ চলমান দানব! 'মানবের ছাল গায়ে এক দানব'!
এদিকে আবার শহিদুল 'মানবিক পাগড়ি' জড়াবার চেষ্টা করছেন এটা বলে:
but we cannot replicate the fascist behavior ourselves. That is not the Bangladesh we dream of...
অথচ তিনি, দিপু চন্দ্র দাস বাটন-ফোন ব্যবহার করতেন। এবং কোথাও এই তথ্য পাওয়া যায়নি তিনি 'সো-কলড' ধর্মীয় অবমাননা করেছেন! যারা তাঁকে এমন নির্মম ভাবে পিটিয়ে মেরেছে, এখন কাজটা ভুল মনে করলে শহিদুল আলমের মত চুতিয়ারা দিপুকে জীবিত ফিরিয়ে দিলেই তো চুকে যায়!
একজন দিপু চন্দ্র দাস কেমন করে সময়কে থামিয়ে দেন, কেমন করে একটা সভ্যতাকে অন্ধকার ভুবনে নিয়ে যান, কেমন করে গোটা একটা দেশকে উলঙ্গ করে দেন তা ছোট্ট এই ভিডিও ফুটেজে ফুটে উঠে।
** যে-কাউকে আমি নিষেধ করব এই ভিডিও ক্লিপটা দেখার জন্য। এটা দেখে কেবল আমার মনে হচ্ছিল, ইচ্ছামৃত্যু থাকাটা খুব জরুরি ছিল!এই ভিডিও ক্লিপটা পোস্টের একদম নীচে দিয়ে দিচ্ছি যাতে চট করে কারো চোখে না পড়ে।
কিন্তু, তবুও চাচ্ছি, এখানে থাকুক এটা। বাস্তবে আমরা আসলে কেমন অমানুষ এটা বুঝতে খানিকটা সুবিধা হবে...।
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
Tuesday, December 16, 2025
আহারে পতাকা এবং আমাদের বিজয় দিবস—স্বাধীনতা দিবস!
গত ২৬শে মার্চে যে লেখাটা লিখেছিলাম, পতাকা ছিনতাই [১], ঠিক এই লেখাটাই হুবহু কপি-পেস্ট করে এখানে বসিয়ে দেওয়া যায়!
আহা, আহারে বেচারা পতাকা! ওদিন ২৬ মার্চে চারপাশে কোথাও পতাকা ছিল না, আজ ১৬ ডিসেম্বরও একই! দক্ষিণ-পশ্চিম-উত্তর-পূর্ব, কোথাও নাই!
কেউ-কেউ জাঁক করে বলার চেষ্টা করে, ২৪ বড়, না ৭১? ওরে চুতিয়া, তার চেয়ে বল, ছেলে বড়, না বাপ বড়?
এদের আস্ফালন দেখার মত। এ বলছে মুক্তিযুদ্ধের অধিকাংশ ইতিহাস মিথ্যা! [১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫]:
রাজাকার তো দূরের কথা ভবিষ্যতে 'র' শব্দও উচ্চারণ করা যাবে না:
১৬ ডিসেম্বরকে আমি বিজয় দিবস মানি না!
সব কিছু ভেঙে পড়ে তবুও এমন অপার আনন্দের দৃশ্য যখন দেখি তখন আশায় বুক বাঁধি:




























