শেখ হাসিনা যেমন গুমকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিল তেমনি অনেক মাদ্রাসার শিক্ষক, মসজিদের ইমাম বলাৎকার [১, ২] এবং যৌন-নির্যাতনকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গেছে! এবং এই নিয়ে আব্বাসীর মত সো-কল্ড পন্ডিত সর্ব বিষয়ে ফতোয়া দেওয়ার জন্য মুখ হাঁ করে রাখবে কিন্তু এই বিষয়ে চুপ!
এরাই আবার সমকামিতা নিয়ে লম্বা-লম্বা আওয়াজ তুলবে। সমকামিতা তো হয় দুই পক্ষের সম্মতিতে। কিছু ব্যতিক্রমি অপরাধি আছে, যেমন নির্মলেন্দু গুণ!
পূর্বে শিকার ছিলাম এখন শিকারি হয়েছি! [৩]
অথচ এই মোল্লারাই যে ছোট-ছোট বাচ্চাদের উপর ঝাপিয়ে পড়ে এদের জীবনটাই তছনছ হয়ে যায়! সমস্তটা জীবন ট্রমা থেকে বের হতে পারে না!
এরা কেমন শিল্পি এর একটা ছোট্ট নমুনা!
দেশের অধিকাংশ মোল্লারা এখন উত্তাল! চুমুকান্ডে! এখন এরা বলছে, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া যাবে না। অথচ মাত্র কয়েকদিন আগে মানসিক ভাবে অসুস্থ শামীম নামের একজনকে পিটিয়ে খুন করে ফেলল [৪]!
এই মোল্লারা সব কিছুতে বাম হাত ঢুকিয়ে দেবে।
ওয়াজের নামে এরা ধর্মকে কেমন করে বিক্রি করে! আগে ঘুষখোরের মত লুকিয়ে ওয়াজের নামে টাকা নিত—পবিত্র কোরানে যেটা সম্পূর্ণ নিষেধ [*]! আর এই হাফেজ মাওলানা জুবায়ের আহমাদ তাশরীফ টাকা নেয় বুক ফুলিয়ে, কাগজ ছাপিয়ে!
সব শেয়ালের এক রা!
চোখের পলক না-ফেলে কী মিথ্যাই না বলতে পারে!
এহেন কোন কাজ নাই যে এরা পারে না! স্বাভাবিক কোন কাজ, স্বাভাবিক ভাবে কথা বলা এইসব এদের অভিধানে নেই!
এদের সম্মান যাওয়া মানে পুরো জাতির সম্মান যাওয়া। বলাৎকার করে পুরো একটা অসুস্থ জাতি তৈরি করছে আর এখন বলছে সম্মানহানি নাকি হচ্ছে!
দিনকে রাত, রাতকে দিন করা এদের পক্ষেই সম্ভব! কী চমৎকার করে সাংবাদিক সম্মেলন করে বলছে মেয়ের বাবার সাথে হিন্দুরাও ছিল, ইসকন জড়িত!
মববাজরা বলছে, আমরা মব করতে চাই বা কিন্তু আমাদের বাধ্য করবেন না!
কাক নাকি কাকের মাংস খায় না কিন্তু একটা মেয়ে অন্য মেয়ের মাংস খায়!
সুত্র:
১. বলাৎকার: https://www.ali-mahmed.com/2026/09/blog-post_08.html?m=1
২. বলাৎকার এবং শরিয়া আইন: https://www.ali-mahmed.com/2026/06/blog-post.html?m=1
৩. নির্মলেন্দু গুণ: https://www.ali-mahmed.com/2009/12/blog-post_3336.html?m=1
৪. খুন, শামীম: https://www.ali-mahmed.com/2026/10/blog-post_23.html?m=1
৫. ওয়াজময় জীবন: https://www.ali-mahmed.com/2019/04/blog-post.html?m=1
* এই মোল্লারা যে ধর্ম বেচে টাকার বিনিময়ে ওয়াজ করে লক্ষ-লক্ষ টাকা আয় করেন আমরা দেখি এই বিষয়ে পবিত্র কোরানে কি বলা আছে?
১. "আল্লাহ যে-কিতাব অবতীর্ণ করেছেন, যারা তা গোপন করে ও তার বিনিময়ে স্বল্প মূল্য গ্রহণ করে, তারা কেবল আগুন দিয়ে নিজেদের উদর পূর্তি করে। আর কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাদের সাথে কথা বলবেন না ও তাদের পবিত্রও করবেন না। আর তাদের জন্য রয়েছে দুঃখজনক শাস্তি। (সূরা বাকারা ২:১৭৪)
২. "... আর আমার আয়াতের বদলে স্বল্পমূল্য গ্রহণ করো না।..." (সূরা বাকারা ২:৪১)
৩. "...বলো, এর জন্য আমি তোমাদের কাছে কোনো পারিশ্রমিক চাই না। এ তো শুধু বিশ্বজগতের জন্য উপদেশ। (সূরা আনআম ৬:৯০)
—কোরানশরিফ, বঙ্গানুবাদ: মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
** এই মোল্লারা বলাৎকারের নামে যেটা করে, মাসুম-অবুঝ বাচ্চাদের উপর ঝাপিয়ে পড়া—ওই বাচ্চা তার সমস্ত জীবন এই ট্রমা থেকে বের হতে পারে না সে কখনও ধরে নেয় এটাও ধর্ম শিক্ষার একটা অংশ।
পবিত্র কোরান স্পর্শ করে শপথ করানো, হাফেজ হতে পারবে না এমন ভয় দেখানো, প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া, পরিবারের লোকজনের ক্ষতির ভয় দেখানো, মাদ্রাসা থেকে বের করে দেওয়া হবে বলে মাদ্রাসা ক্যারিয়ার শেষ করে দেওয়া। এই সমস্ত যে কোরানে বর্ণিত আয়াতের [+] চেয়ে কত ভয়ংকর তা কল্পনাও করা যায় না! কালে-কালে সে হয়ে উঠে আরেক বলাৎকারী!
+
"তোমরা তো এমন অশ্লীল কর্ম করছ, যা তোমাদের পূর্বে দুনিয়ায় কেউ করেনি।
তোমরা কি পুরুষের সঙ্গে উপগত হচ্ছ না?
...উত্তরে তার সম্প্রদায় এটুকুই বলল যে, আমাদের উপর আল্লাহর শাস্তি আনো...
(কোরান শরিফ, সুরা আনকাবুত ২৮-২৯)"
কোরানে বর্ণিত ওরা বিরাট পাপাচারী ছিল এ সত্য কিন্তু এখনকার মসজিদ-মাদ্রাসার যে সমস্ত বলাৎকারী তাদের ধারেকাছেও ছিল না। কারণ ওরা ছিল অবিশ্বাসী—অন্তত পবিত্র কোরান স্পর্শ করিয়ে বলাৎকার করত না।
আপনি কল্পনা করতে পারেন, ৭ বছরের এই বাচ্চাকে যে এই ৬ জন সিনিয়র ছাত্র-শিক্ষক মিলে দিনের-পর-দিন চরম নির্যাতন করেছে!
আপনি জাস্ট চোখ বন্ধ করে একটু কল্পনা করুন এই দৃশ্যটা দেখে, এদেরকে দেখে! ছোট্ট একটা বাচ্চা, দিনের-পর-দিন, মাসের-পর-মাস! অন্য ভুবনের কষ্ট ভোগ করছে এদের দ্বারা!
++
জামসেদ নামের একে দেখেছি ওয়াজের চেয়ে বেশি মধু বেচতে। ফেসবুকে এ যে কয়টা বিজ্ঞাপন চালায় তা এ এবং জাকারবার্গ ব্যতীত কেউ জানে না!
১ম তাকবীর, সানা
আরবি: سُبْحَانَكَ اَللّٰهُمَّ وَبِحَمْدِكَ وَتَبَارَكَ اسْمُكَ وَتَعَالٰى جَدُّكَ وَجَلَّ ثَنَاءُكَ وَلَا اِلٰهَ غَيْرُكَ
বাংলা উচ্চারণ: সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা, ওয়া তাবারাকাসমুকা, ওয়া তা'আলা জাদ্দুকা, ওয়া জাল্লা ছানাউকা, ওয়া লা ইলাহা গাইরুক।
বাংলা অর্থ: হে আল্লাহ, তুমি পবিত্র, তোমার প্রশংসা সহ। তোমার নাম বরকতময়, তোমার মর্যাদা সুউচ্চ, তোমার প্রশংসা মহান, তুমি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই।
২য় তাকবীর, দরুদে ইবরাহীম।
আরবি:
اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ
اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ
বাংলা উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিও ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদ, কামা সাল্লাইতা আলা ইবরাহীমা ওয়া আলা আলি ইবরাহীম, ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ। আল্লাহুম্মা বারিক আলা মুহাম্মাদিও ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদ, কামা বারাকতা আলা ইবরাহীমা ওয়া আলা আলি ইবরাহীম, ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ।
বাংলা অর্থ: হে আল্লাহ, মুহাম্মদ ও তাঁর বংশধরের ওপর রহমত বর্ষণ করো যেমন ইবরাহীমের ওপর করেছো। নিশ্চয় তুমি প্রশংসিত ও মহিমাময়।
৩য় তাকবীর, মৃতের জন্য দোয়া।
আরবি:
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِحَيِّنَا وَمَيِّتِنَا وَشَاهِدِنَا وَغَائِبِنَا وَصَغِيرِنَا وَكَبِيرِنَا وَذَكَرِنَا وَأُنْثَانَا
اللَّهُمَّ مَنْ أَحْيَيْتَهُ مِنَّا فَأَحْيِهِ عَلَى الْإِسْلَامِ وَمَنْ تَوَفَّيْتَهُ مِنَّا فَتَوَفَّهُ عَلَى الْإِيمَانِ
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ وَارْحَمْهُ وَعَافِهِ وَاعْفُ عَنْهُ
বাংলা উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাগফির লি-হাইয়্যিনা ওয়া মাইয়্যিতিনা ওয়া শাহিদিনা ওয়া গায়িবিনা ওয়া সাগীরিনা ওয়া কাবীরিনা ওয়া যাকারিনা ওয়া উনসানা। আল্লাহুম্মা মান আহইয়াইতাহু মিন্না ফা-আহয়িহি আলাল ইসলাম, ওয়া মান তাওয়াফফাইতাহু মিন্না ফা-তাওয়াফফাহু আলাল ঈমান। আল্লাহুম্মাগফির লাহু ওয়ারহামহু ওয়া আফিহি ওয়াফু আনহু।
বাংলা অর্থ: হে আল্লাহ, আমাদের জীবিত-মৃত, উপস্থিত-অনুপস্থিত, ছোট-বড়, নারী-পুরুষ সবাইকে ক্ষমা করো। আমাদের মধ্যে যাকে জীবিত রাখবে ইসলামের ওপর রাখো, যাকে মৃত্যু দেবে ঈমানের ওপর দাও। হে আল্লাহ, এই মৃত ব্যক্তিকে ক্ষমা করো, দয়া করো, নিরাপত্তা দাও ও মাফ করে দাও।
নোট: ৪র্থ তাকবীর দিয়ে ডানে-বামে সালাম—আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।"
Grok-কে বলেছিলাম যাচাই করতে:

























