ali-mahmed.com
"ন্যানো ড্রাইভটা ফেলেছি হারিয়ে/ যেটায়—রাখা ছিল ৮০০ কোটি/ মানুষের, ডিএনএ প্রোফাইল।"
Friday, March 13, 2026
এই সমস্ত জন্তুগুলোকে আইনের খাঁচায় আটকানো আবশ্যক।
Wednesday, March 11, 2026
একজন ধর্মীয় শিক্ষক আমাদেরকে যা শেখান।
এই শায়েখ আব্দুর রাজ্জাক প্রধানমন্ত্রীর একটা অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়া সবার সংগে পরিচিত হন।
একটা গুরুতর কিন্তু আছে! সবাই উঠে হোস্ট এবং প্রধানমন্ত্রীকে দাঁড়িয়ে সম্মান জানিয়েছেন কিন্তু ব্যতিক্রম কেবল আব্দুর রাজ্জাক! তিনি সব কর্মকান্ড বসে-বসে করেছেন!
এটা খুবই সাধারণ শিষ্টাচার—কেউ আপনার সংগে দাঁড়িয়ে কথা বললে আপনি দাঁড়িয়ে কথা বলবেন। অবশ্য যাদের পা নাই তাদের জন্য এই শিষ্টাচার খাটে না। যতদূর জানি আব্দুর রাজ্জাক সাহেব আল্লাহর রহমতে সুস্থ-সবল একজন মানুষ—আলহামদুলিল্লাহ।
হয়তো ধর্মীয় আচারের কারণে তিনি এটা করেননি! জেনে ভাল লাগল।
এমনিতে আমাদের এই ধর্মীয় শিক্ষক আমাদেরকে যা শিক্ষা দেন:
এখানে তিনি বলছেন:
"নারীর জন্ম কলঙ্ক... অমঙ্গল...কুলক্ষণ...নারীর আত্মা নেই...স্বামী স্ত্রীকে বিক্রি করতে পারে...স্ত্রী হচ্ছে বাড়ির সম্পদ...!"
সবিনয়ে বলি, আমি ধর্মীয় শিক্ষক মহোদয়ের সাথে একমত হতে পারছি না। নারীর জন্ম না-হলে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সমস্যা নাই কারণ তিনি তার জন্ম বায়োলজিক্যাল বলে মনে করেন না!
এমন অসংখ্য বয়ান আছে এই ভদ্রলোকের। একটা আরেকটাকে ছাড়িয়ে যায়!
অথচ নবীর সময়ে একজন নারী নবীকে লক্ষ করে ছোড়া তীর নিজের উপর নিয়ে নবীকে রক্ষা করেন [১]। তীর কোথায় চলে, রান্নাঘরে নিশ্চয় না?
Saturday, March 7, 2026
৭ মার্চের ভাষণ বনাম আওয়ামি শাসন!
আমার হাজার-হাজার লেখার মধ্যে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে শতশত লেখা আছে কিন্তু একটা লেখাও সাবেক প্রেসিডেন্ট শেখ মুজিবর রহমান বা জিয়াউর রহমানের স্তুতি-লেখা নাই! তাঁদের প্রতি অশ্রদ্ধার কারণে এমনটা কিন্তু না। এই বিষয়ে আমার সবিনয় যুক্তি হচ্ছে, এঁদের নিয়ে লেখার জন্য হাজার-হাজার লোক আছেন।
আমি না-হয় আমাদের মুক্তিযুদ্ধে একজন শুয়োর-চড়ানো বীরপ্রতীক, একজন সুইপার, একজন ঠেলা-চালানো কমান্ডো এদের নিয়েই লিখলাম [১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪ ১৫]
এ সত্য, সাহিত্য মানেই যেমন ইংরাজি ভাষার সাহিত্য, মুভি মানেই যেমন হলিউডের তেমনি মুক্তিযুদ্ধ মানেই আওয়ামী লীগ। অথচ বাস্তবতা হচ্ছে আওয়ামীলীগ-করা অধিকাংশ মানুষের মুক্তিযুদ্ধে অবদান নেই!
কী অদ্ভুত একটা দেশ!
৭ মার্চের ভাষণ কেবল আওয়ামী সম্পত্তি বা দেশের সম্পত্তি না, এই ঐতিহাসিক ভাষণ ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো কর্তৃক “মেমোরি অফ দি ওয়ার্ল্ড” (Memory of the World) বা বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
-সূত্র:
১. সাদী মহাম্মদ: http://www.ali-mahmed.com/2013/07/1971.html
Thursday, February 26, 2026
কফিনে প্রথম পেরেক বা পেরেকগুলো!!
প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়ার অতীত নিয়ে, ১৭ বছর লন্ডনে থাকা নিয়ে আলাপে যদি না যাই তাহলে আমি বলব তাঁর শুরুটা খুবই চমৎকার ছিল। আমরা অতিরিক্ত আশাবাদী হয়ে পড়েছিলাম!
অবশ্য মিনমিন করে এটাও নোকতা আকারে যুক্ত করা হয়েছিল, তাঁর আশেপাশের লোকজনেরা তাঁকে ভাল থাকতে দেবে না! কিন্তু এটা যে এত দ্রুত হবে তা কল্পনাতীত!
তাঁর যেমন অনেক সবল দিক আছে—অনুমান করি, দুর্বল দিক সব ছাপিয়ে যাবে। আশেপাশে অনেকেই আছেন যারা তাঁর গুরুজন—তাঁর মা'র সময়ে ছিলেন। কঠিন হওয়া তাঁর জন্য কঠিন!
এই গর্ভনের সময়ে মানুষ ব্যাংগুলোর উপর আস্থা ফিরে পেয়েছিল, রেমিটেন্স যোদ্ধারা ঝাপিয়ে পড়ে টাকায় দেশ সয়লাব করে দিয়েছেন আমি এই সমস্ত কু-তর্কে যাব না।
ধরে নিলাম, এই গর্ভনরের অনেক অনাচার নিয়ে আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন, কোন সমস্যা নেই। পদত্যাগ করান, তথ্য-উপাত্তের ভিক্তিতে বিচার করুন, ফায়ারিং-স্কোয়াডে হাজার রাইফেল তাক করুন, কোন সমস্যা নেই।
... ... ...
আরেকটা ঘটনা ঘটেছে, অহেতুক-হুদাহুদি! এ সত্য, মোহন রায়হানের নাম আগে কখনও শুনিনি! পরে খোঁজ নিয়ে দেখলাম, দুধে ভাসা মাছি—সব দুধই ভাসে। সবই সত্য কিন্তু লেজেগোবরে করে আম-জনতার হাতে ক্ষুর তুলে দেওয়া যায় না।
একটি শস্তা চিঠির খসড়া!
... ,
আপনার সমস্যার কথা 'ইয়ে' আমারে জানাইছে। আসলে এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করাটা আমার জন্য মুশকিল। একটু ঘুরায়া বলি, আপনে বুদ্ধিমান মানুষ, বুইঝা নিবেন।
আমার মা মারা গেছে ৫ বছরের উপরে হইল। আমি এখনও তার জন্য কান্না করি!
ইয়ু নো, শালার পুরুষ মানুষের কান্না করার জায়গার খুব অভাব—সে যেইখানে-সেইখানে পা ছড়ায়া কান্না করতে পারে না। তার জায়গা একটাই, বাথরুমের পানির ট্যাপ ছাইড়া মন খুইলা কান্দাকান্দি করা। ট্যাপের জলের সঙ্গে ভাইসা যায় চোখের জল। আরে, কোন শালা দেখব তখন!
বিজ্ঞানিরা কয়, মস্তিস্ককে নাকি বানান হইছে এমন কইরা সে ক্রমশ বিস্মৃত হয়। হেরা বা… জানে! আমার বেলায় হইছে উল্টাটা। আমার মা মারা যাওয়ার সময় মাইনা নিছিলাম কারণ সে বাঁইচা থাকলে খুব কষ্ট করত। আর তখন আমার টাকা-পয়সারও খুব টানাটানি…। আফসোস, একসময় দু-হাত ভইরা টাকা আসল কিন্তু সে আর নাই!
যে মহিলার স্বামীর ১৯৭০ সালে নিজস্ব মরিস মাইনর গাড়ি ছিল তার চিকিৎসা হয় সরকারী হাসপাতালে! শালার এইটা একটা জীবন হইল! এখনও মানতে পারি না। এই কষ্টটা আজীবন আমারে পাগলা কুত্তার মত তাড়া করব।
এই মহিলা শারীরিক ভাবে মারা গেছে কিন্তু এখনও সে জীবিত। হাসপাতালের বেডে শুইয়া আছে, বাড়ি ফেরার অপেক্ষায়। তারে নিয়া একটা সিরিজ লেখা শুরু করছিলাম, ‘হাসপাতাল পর্ব’। ১৪/১৫টা লেখা মনে হয় লিখছিলাম পরে আর লিখতে পারি নাই [১]। তার মৃত্যুটা আর লিখতে পারি নাই, বুঝলেন! ওখানে-হাসপাতালে সে এখনও বাড়ি ফেরার অপেক্ষায়। গাল ফুলিয়ে ছোট একটা বাচ্চার মত বারবার বলছে, 'তুই আমারে বাড়ি নিয়া যাইবি কবে'? শোনো কথা, ডাক্তার না বললে আমি বাড়ি নিয়া যাই কেমনে!
আচ্ছা, সে থাকুক না ওমনি—বাড়ি ফেরার স্বপ্ন নিয়া, সমস্যা কোথায়…।
আমি-না আমার মার জন্য এখনও হাহাকার করি…। কোন মহাপুরুষ বলে গেছেন, "জ্ঞানীরা মৃতের জন্য শোক করেন না"। হুশ, এমন জ্ঞানী হইতে আমার বয়েই গেছে!
জানেন, আমি কিন্তু আমার মা'র খুব আদরের ছিলাম না। খোকা এটা খাস নে, খেয়েছি। খোকা ওটা করিস না, করেছি।
আহারে-আহারে, আমার মা-টার জন্য কিছুই করতে পারিনি, সিনেমার ডায়লগ মনে হবে কিন্তু তার খানিকটা স্পর্শ, তার গায়ের গন্ধ—কোটি টাকা আমার কাছে তুচ্ছ।
কানে-কানে গোপন একটা কথা বলি, আমাকে খুনি বানাবার সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে আমার মাকে নিয়ে কুৎসিত কথা বলা। যে বলবে তাকে স্রেফ খুন করে ফেলব। ক্ষমতায় না-কুলালে নিজে খুন হয়ে যাব। নো মার্সি, নো জেনেভা কনভেনশন- জঙ্গলে কেবল জঙ্গলের আইন।
দেখেন কান্ড, যেটা আমি এক লাইনে বলে আপনাকে বোঝাতে পারতাম সেটা বোঝাতে গিয়ে লাইনের-পর-লাইন লিখলাম। চুতিয়া লেখকদের এটাই সমস্যা…।
১.হাসপাতাল পর্ব: https://www.ali-mahmed.com/search/label/%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%20%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC?m=0
Tuesday, February 24, 2026
গুন্ডামি, সেকাল—একাল!
আমাগো একজন মহামান্য রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন চুপ্পু!
আমাদের এখনকার রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন চুপ্পু পূর্বের রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের মত না; যে আব্দুল হামিদের মত হরেদরে এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়েও প্রিয়াংকা চোপড়াকে নিয়ে রসিকতা করবেন।
তাই দুষ্ট পোলাপানরা যখন এমন কমপ্লিমেন্ট নিয়ে আলোচনা শুরু করল:
যাই হোক, আজ আমাদের মহামান্য রাষ্ট্রপতি একটা সাক্ষাৎকার দিয়েছেন কালের কন্ঠকে [*]।
এইসব আসলে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় না! মহামান্যের ট্রেন ঝড়ের গতিতে ছুটছে আর আমরা সামান্যরা ট্রেনে বসে আছি। ট্রেন এবং আমরা পাবনা-ঢাকা, ঢাকা-পাবনা যাতায়াতের সময় একসঙে থাকব কিনা সেটাও এখানে আলোচ্য বিষয় না...!
... ... ...
*সদয় অবগতি:' কালের কন্ঠ' (এটা টাইপ করার সময় আমি খুব সাবধানে থাকি কারণ 'ক'-এর স্থলে 'ব' হয়ে গেলে সর্বনাশ হয়ে যাবে! একবার এক লেখায় মহাজাতকের জায়গায় মহাঘাতক লিখে গোলমাল হয়ে গিয়েছিল। ভাগ্যিস, তখন সঞ্জীব চৌধুরী সামলে নিয়েছিলেন।
এবার নিজেকে নিজেই ধন্যবাদ দেই কারণ এবার আর গোলমাল হয়নি!)
... ... ...
Sunday, February 22, 2026
আফগানিস্তান-বাংলাস্তান!
আফগানিস্তান এমন এক জাতি যাদের কেউ পরাস্ত করতে পারেনি! না সুপার পাওয়ার রাশিয়া, না আমেরিকা! এ এক বিস্ময়!
নাগরিককে আবার ৪টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে! সর্বোচ্চ শ্রেণিতে থাকবেন উলেমা এবং মোল্লারা। এই শ্রেণি যদি কোনও অপরাধ করে, তাহলে স্রেফ কিছু উপদেশ দিয়ে মুক্তি দেওয়া হবে। দ্বিতীয় শ্রেণিতে আশরাফ বা উচ্চবিত্তরা। তাদের অবশ্য অপরাধের শাস্তিস্বরূপ যেতে হবে আদালতে। তবে সেখানে কিছু উপদেশ দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হবে।
তৃতীয় শ্রেণিতে থাকবেন মধ্যবিত্ত আফগানরা। তাঁরা অপরাধ করলে যথাযথ তদন্ত করে শাস্তি পেতেই হবে। কারাদণ্ড পেতেই পারেন তাঁরা। একেবারে শেষ শ্রেণিতে রাখা হয়েছে দরিদ্রতম আফগানদের। তাঁরা অপরাধ করলে কারাদণ্ড, মৃত্যুদণ্ডের মতো সাজা দেওয়া হবে।
মহিলাদেরকে স্বামী মারতে পারবেন তবে হাড় ভাংগা যাবে না এবং দৃশ্যমান আঘাত করা যাবে না।
এই বিষয়ে ধর্মীয় শিক্ষক আল্লামা মামুনুল হক এক সাক্ষাৎকারে ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তার ব্যাখ্যা জানার পূর্বে এটা জানাটা সমীচীন, যিনি দেশের এক-ক্রান্তিলগ্নে (এনসিপি নেতাদের মত হাওয়া খেতে কক্সবাজার চলে যাওয়া) রিসোর্টে ছিলেন। অবশ্য তিনি ছিলেন অন্য নারীকে নিয়ে:
যাক, একজন ধর্মীয় শিক্ষক, একজন আল্লামা যখন বলেছেন কোরানের আলোকে এই সমস্ত কর্মকান্ড সবৈব সত্য এরপর আর কথা চলে না।
আল্লামা মামুনুল হক অন্য-এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন তারা ক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশেও শরিয়া আইন চালু করবেন। তখন বাংলাদেশ হবে 'বাংলাস্তান'—রাতদিন বাজবে এই ওয়াজ:
Saturday, February 21, 2026
আমার ভাষা, আমার হাসি-কান্না-চিৎকার!
কখনো-কখনো, কেউ-কেউ, কেমন-কেমন করে যেন অযাচিত ভালবাসা পেয়ে যায়! নইলে আমার মত এক-অভাজন ফেব্রুয়ারির এক পড়ন্ত বিকেলে জাতীয় শহীদ মিনারের মত একটা জায়গায় দাঁড়াবার দুঃসাহস করে কেমন করে!
ছবির এই ৪ জনের মধ্যে এঁরা ৩ জনই অতি বিখ্যাত কেবল এই অধমই অখ্যাত।
আবার ছবির এই ৪ জনের মধ্যে ৩ জনই অন্য ভুবনে চলে গেছেন। কেবল আমার মত অকাজের মানুষটাই বেঁচে আছে। মেঘে-মেঘে বেলা হয়ে যাচ্ছে—সময় ফুরিয়ে আসছে ক্রমশ। অথচ কিছুই করা হলো না—কেবল একজন 'পাইপমানুষ' (যারা পৃথিবীতে আসে খেতে এবং বর্জ্য ত্যাগ করতে)!
ওখানে আমাকে কিছু-একটা বলার জন্য বলা হয়েছিল! আমি এলোমেলো মাথা এবং ছাপাছাপি চোখ নিয়ে বুঝে উঠতেই পারছিলাম না কেমন করে বলব, কী বলব?
পূর্বে আমারই এক লেখা থেকে ধার করে খানিকটা ওখানে বলে পার পেয়েছিলাম [১]:
"ইউনেসকোর তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের ছয় হাজার ভাষার মধ্যে প্রায় আড়াই হাজার ভাষা হারিয়ে যাচ্ছে।
লাটভিয়ায় ‘লিভোনিয়ান’ ভাষায় কথা বলেন এমন একজনই মাত্র জীবিত আছেন, তিনি মারা গেলে সেই ভাষারও মৃত্যু হবে। এটা ২০০৯ সালের কথা, এরিমধ্যে তিনি মারা গেছেন কিনা আমি জানি না।
আলাস্কার ‘আইয়াক’ ভাষা জানা শেষ ব্যক্তিটি মারা যান ২০০৮ সালে। তাঁর সঙ্গেই মৃত্যু হয় ‘আইয়াক’ ভাষার।
যে আড়াই হাজার ভাষা এই গ্রহ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে তার মধ্যে আমাদের বাংলা ভাষাও থাকতে পারত কিন্তু আমাদের অপার সৌভাগ্য আমাদের বাংলা ভাষা যে কেবল টিকেই আছে এমন না, আছে সদর্পে, সীমাহীন গৌরবে!বাংলা নামের আমাদের মায়ের ভাষা—এটা তো আর এমনি-এমনি হয়নি, কেউ আমাদেরকে এটা মুফতে-দানে দেয়নি! এর জন্য আমরা কেবল দিনের-পর-দিন, মাসের-পর-মাস, বছরের-পর-বছর ধরেই লড়াই করিনি; লড়াই করেছি যুগের-পর-যুগ ধরে!এই দেশের অসংখ্য সেরা সন্তান তাঁদের রক্ত অকাতরে বিলিয়ে গেছেন আমাদের জন্য। আমাদের বেদনার কথা যে অক্ষর দিয়ে লিখি সেই কালির সঙ্গে মিশে আছে তাঁদের রক্ত। জান্তব স্বপ্ন নামের সেই মানুষগুলোর অনেকেই আজ নেই কিন্তু তাদের মায়াভরা সুশীতল ছায়া ছড়িয়ে আছে আমাদের মাথার উপর।
তাঁদের ছায়ার পাশে যখন আমার মত অভাজন দাঁড়াই তখন নিজেকে কী ক্ষুদ্র, লজ্জিতই না মনে হয়। নতচোখে স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে না-থেকে কোন উপায় থাকে না।"
...
গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি, জনাব. শংকর সাঁওজালকে:
Friday, February 20, 2026
এক লজ্জাশীল প্রকাশক, মঈনুল আহসান সাবের!
প্রকাশক ঈশ্বরতুল্য! অন্তত একজন লেখকের চোখে। কারণ এই প্রকাশকই নির্ধারণ করে দেন কে লেখক, কে পাচক!
"...দেবতা তবুও ধরেছে মলিন ঝাঁটা/ স্পর্শ বাঁচিয়ে পুণ্যের পথে হাঁটা..."
এঁরা দেবতা-দেবতা! সাক্ষাৎ দেবতা! দয়ার শরীর—ধরায় আছেন বলে নইলে আকাশলোকে থাকতেন। ইনি আবার কেবল দেবতাই নন, পাখা লাগানো দেবতা—একজন লেখকও! ইদসংখ্যার আবেদন এই প্রজন্ম বুঝবে না—সম্ভবত তখন বিচিত্রায় 'পাথর সময়' ছাপা হয়েছিল মঈনুল আহসান সাবেরের!
তখনই দিব্য প্রকাশনীর মঈনুল আহসান সাবেরের সঙ্গে দেখা করেছিলাম। লেখা প্রসংগে তখন তিনি কিছুই জানতে চাইলেন না, চাবানো-চাবানো ছোট্ট উত্তর ছিল:
আমরা (একজন লেখক কাম প্রকাশক) অথরের (লেখকের) ফিন্যান্স ছাড়া বই ছাপি না।
তো, একজন মননশীল লেখক এবং একজন সৃজনশীল প্রকাশক সাবের স্যারের কাছে সবিনয়ে বলি:
বই ছাপাতে লেখককে যদি আপনাকে টাকাই দিতে হয় তাহলে লজ্জা পাবেন না, স্যার; তারচেয়ে, ঠাঠারি বাজার ওরফে কাপ্তান বাজারে গিয়ে ইয়ের মাংস বিক্রি করেন। কথা দিচ্ছি, আপনার দোকান থেকে আস্ত-এক 'ইয়ের রান' কিনব। তবুও স্যার, লজ্জা পাবেন না!
ওহ, আরেকটা কথা স্যার, কেবল নগ্ন গাত্রই অশ্লীল না—আপনার মত একজন লেখক অন্য লেখকের টাকায় বই ছাপিয়ে যেটা করেন ওটাও এক প্রকার অশ্লীলতা। আর আপনার মত প্রকাশক মহোদয়গণ আমের সঙ্গে যে গুটিও খেয়ে ফেলেন মানে লেখকের রয়্যালটির টাকা না-দেওয়ার প্রবণতা এটাও এক ধরনের চোট্টামি [*]!
* চোট্টামির ভাল অর্থ আমি জানি না। সম্ভবত চুরি-চামারির সঙ্গে একটা যোগসূত্র আছে।
সূত্র: স্ক্রিনশট, ১: মঈনুল আহসান সাবের স্যারের ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে নেওয়া। স্যারের প্রতি ঋণ এবং কৃতজ্ঞতা।
স্ক্রিনশট, ২: একজন ফয়সাল আরেফিন দীপন: https://www.ali-mahmed.com/2015/12/blog-post.html?m=1
স্ক্রিনশট, ৩: প্রকাশক: দ্বিতীয় ঈশ্বর: https://www.ali-mahmed.com/2009/10/blog-post_15.html?m=1
...
আপডেট: ২০ ফেব্রুয়ারি:
ওরি বাবা, আমার তো এক চোখে জল অন্য চোখে পানি চলে এলো! যে লোক প্রকাশক হিসাবে একেবারেই নীতি বিবর্জিত সেই লোক কিনা—হাসি আর কাশি গুলিয়ে যাচ্ছে!
Monday, February 16, 2026
নইম নিজামরা এবং একপেট আবর্জনাগুলো!
Sunday, February 15, 2026
'একটু অভয় দিলে বলি', বললেন, হায়, 'তেল খালেদ'।
খালেদ মুহিউদ্দিন, একটা আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় কাজ করা দুঁদে সাংবাদিক[১] বলছে, 'একটু অভয় দিলে বলি...'!
আর তারেক জিয়াকে প্রশ্ন করে খালেদ মুহিউদ্দিন যে ভঙ্গিতে গা দুলিয়ে হাসলেন—আমি বারবার যেটা বলি কেবল নগ্ন গাত্রই অশ্লীল না! কোন একটা গুরুত্বপূর্ণ সভায় যেমন টেবিলে দাঁড়িয়ে 'ধুম মাচাদে-ধুম মাচাদে, ধুম-ধুম...', গান গাওয়া চলে না তেমনি এমন একটা ভঙ্গিতে গা দুলিয়ে হাসাও।
সুত্র:
১. খালেদ মুহিউদ্দিন জানতে চায়: https://www.ali-mahmed.com/2020/10/dw.html?m=1
Thursday, February 12, 2026
সনদ-বিক্রেতা।
যারা ১৯৭১ নিয়ে মায়াকান্না করে তারা বাংলাদেশ- বিরোধী!
এই 'দেশবিরোধী সার্টিফিকেট' বিলি করেন ইনি:
ইনি কে? একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধকালের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ থেকে খালাস পাওয়া জামায়াত নেতা, এ টি এম আজহারুল ইসলাম।
আজহারুল ইসলামের মৃত্যুদন্ডের বিরুদ্ধে আপিল সর্বসম্মতিতে মঞ্জুর করেছিলেন আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের বেঞ্চ এই রায় দেন। এই নিয়ে মন্তব্য করা থেকে বিরত রইলাম!
কিন্তু এই লোক ১৯৭১-কে স্রেফ অস্বীকারই করছে না, উপেক্ষা করছে অন্য ভূবনের নিতল কষ্টের কথা! একজন আলতাফ মাহমুদ ৭১-এ কেমন ত্যাগ স্বীকার করেছেন তা এই প্রজন্ম বিস্মৃত হয়েছে :
"যারা ৭১ নিয়ে মায়াকান্না করবে তারা বাংলাদেশ-বিরোধী!"
Saturday, February 7, 2026
পুলিশ: সেকাল—একাল!
পুলিশ বলছে, 'আয়, হাদির লাশ নিয়ে যা'। এটা পুলিশ ভুল বলেছে! এটা বলাই সমীচীন ছিল, আয়, 'হাদির কঙ্কাল নিয়ে যা'।
Tuesday, February 3, 2026
একে গ্রেফতার করতে হবে, এখনই...
খালেদুজ্জামান, এই লোকটা ক্যান্টনমেন্টের ভেতরে আর্মিকে যে ভঙ্গিতে বলছে:
"(আপনাদের) বহুত বড়-বড় অফিসাররা আমাদের পা ধরছে...আমরা এই রকম কুকুরের মত পা-চাটা হই নাই...আপনারা গোলামি করছেন...আপনারা গান নিয়ে বসে আছেন...একদম জিহবা দিয়া চাইটা ফেলতাছেন, তারেক জিয়ার জন্য...।"
আমার যতটুকু মনে পড়ে, খালেদা জিয়া তখন প্রধানমন্ত্রী। থাকতেন ক্যান্টনমেন্টে। তারেক জিয়া অসময়ে বা নিয়ম বহির্ভূত ভাবে গভীর রাতে বাসায় যেতে চাইলে এক ক্যাপ্টেন সারা রাত তাকে এমপি পোস্টে বসিয়ে রাখেন। এটা পত্রিকায় নিউজ হয়েছিল।
আর এই লোক অস্ত্র সহ গানম্যান নিয়ে ঢুকবে আবার এমন উদ্ধত ভঙিতে কথা বলবে! এ নিজের পরিচয় দিচ্ছে, তারেক জিয়ার বিরুদ্ধে ঢাকা ১৭ আসনের এমপি প্রার্থী খালিদুজ্জামান।
এই লোক এখনও এমপি হয়নি—হলে, থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র দিয়ে তো প্যারালাল ক্যান্টনমেন্ট গড়ে তুলবে। যদি ২৪ ঘন্টার মধ্যে একে গ্রেফতার না-করা হয় তাহলে গুচ্ছের টাকা খরচ করে সেনাবাহিনী পোষার কোন প্রয়োজন নেই। সেনাবাহিনী কী কেবল ট্রাস্ট গ্রুপ নাম দিয়ে ব্যবসা করার জন্য? এমন 'ব্যবসাবান্ধব সেনাবাহিনী' দিয়ে আমরা কী করব!
Monday, February 2, 2026
পুরুষ ইতর—মহিলা ইতর!
ইতর তো ইতরই, তার আবার জেন্ডার কী! আহা, লেডিস ফার্স্ট বলে একটা কথা আছে না। তো, লেডিস, আ মিন মহিলা, 'মহিলা ইতর' দিয়েই শুরু করি:
ব্যক্তিগত ভাবে কেউ হাদির চেহারা, তার গালি জাস্টিফাই করার প্রচেষ্টা, তার আইডোলজি অপছন্দ করতেই পারেন কিন্তু হাদির মৃত্যু নিয়ে এই মহিলা ইতরের যে উল্লাস, ডাইনির হাসি তা সব ছাপিয়ে যায়, ইতরকেও! সমস্যা হচ্ছে, 'চৌকিদারের নীচে চাকরি নাই', এটা জানি কিন্তু ইতরের নীচে 'কোন তর'?, এটা জানি না!
এবার আসি পুরুষ ইতরের কথায়:




























