Search

Wednesday, October 21, 2026

সৌদি আরব নামের এক অমানবিক দেশ!

লেখক: M Rayhan Kabir

(https://www.facebook.com/share/1DwYxzGJuq/)

"(সৌদি থেকে ফিরে) এক আপা সন্তান কোলে দেশে ফিরে আমাকে বললেন: 

ভাই, সন্তান আমার গর্ভে হয়েছে, কিন্তু আমি জানিই না এই সন্তান আসলে কার। মালিকের, মালিকের ছেলের, মালিকের বন্ধুদের, নাকি তার ড্রাইভারের?

এর চেয়ে দুঃখের কিছু হতে পারে, ভাই! বলেন? আমি শুনে বিস্মিত হইনি, কারণ এমন কেস প্রতিনিয়তই শুনছি। কিন্তু প্রতিবারের ঘটনাগুলো মনে দাগ কেটে যায়।

বাবুটার সাথে লেখক।

দায়িত্ব নিয়ে লিখছি। দীর্ঘদিন অভিবাসন খাত আর প্রবাসীদের অধিকার নিয়ে কাজ করতে গিয়ে যে দেশের মানুষের প্রতি আমার সবচেয়ে বেশি ঘৃণা জন্মেছে, সেটা সৌদি আরব।

ভিয়েনা কনভেনশন আর কূটনীতির কোনো তোয়াক্কা না-করে আমাদের দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে সেই সৌদি আরবই। মন দিয়ে পড়বেন, প্রতিটা নাগরিকের এটা জানা উচিত।

এটা কোনো গল্প নয়। একদম মাঠ থেকে, নিজের হাতে কাজ করা অভিজ্ঞতা থেকে বাস্তব ঘটনা লিখছি। পড়তে পড়তে ছবি মনে আঁকতে পারেন, নিশ্চিত বলছি আঁতকে উঠবেন, ভাববেন এ কেমন বর্বরতা, এটা কি আসলেই সম্ভব? সৌদি আরবের এই শেখদের কাছে নারী, পুরুষ, শিশু সবাই এক টুকরো মাংসের মতো, কাউকেই তারা ছাড় দেয় না।

গৃহকর্মীর কাজে সৌদি আরবে গিয়ে যত নারী গর্ভবতী হয়ে বা কোলে ছোট্ট শিশু নিয়ে দেশে ফিরেছেন, আমি যাঁদের পেয়েছি তাঁদের প্রত্যেকের ঘটনা প্রায় একই রকম। প্রত্যেকের সন্তান জন্ম নিয়েছে সৌদির জেলে। একজন নারী অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় জেলে গেলেন কীভাবে, আর সেখানে সন্তান প্রসবই বা করলেন কীভাবে? চলুন, ঘটনায় নিয়ে যাই।

কাজে যাওয়া নারী, কখনো কুমারী একটা মেয়ে, মালিকের হাতে নির্যাতন আর ধর্ষণের শিকার হন। সেই অত্যাচারের বর্ণনা ফেসবুকের সেন্সরও সম্ভবত নেবে না। গৃহকর্তা, কর্তার ছেলে, কর্তার ভাই, কর্তার বন্ধু, কর্তার ড্রাইভার, পালাক্রমে রুটিন করে ধর্ষণ করে আমার দেশের সেই অসহায় নারীকে, যিনি দুই মুঠো ভাতের পয়সা জোগাড় করতে গিয়েছিলেন।

সারাদিন অমানুষিক খাটিয়ে ঘুমানোর সময় নিয়ম করে চলে অত্যাচার, এমন আচরণে যেন তাকে কেনাই হয়েছে ভোগ করার জন্য। বিচার চাইবেন কোথায়, সে দেশে এমন কোনো আইনই নেই।

তারপর একসময় সেই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। আর ঠিক তখনই সৌদির সেই শেখ তাঁর নামে চুরির মামলা দিয়ে পুলিশে দেয়। সময়টা বেছে নেওয়া হয় এমনভাবে, যেন সন্তানটা জেলেই প্রসব হয়। চুরির মামলায় আমার দেশের নারীরা গ্রেপ্তার হয়ে জেলে যান, আর দু-এক মাসের মধ্যেই সেখানে বাচ্চার জন্ম দেন।

একবার চোখ বন্ধ করে ভাবুন। দুই বেলা পরিবারে ভাত দেওয়ার আশায় যে নারী বিদেশ গেলেন, তিনি প্রতিদিন গণধর্ষণের শিকার হলেন, বিচার দূরে থাক, কোথাও বলার জায়গাও পেলেন না। তিনি অন্তঃসত্ত্বা হলেন, আর তাঁকেই মিথ্যা চুরির অপবাদে জেলে পাঠানো হলো। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় আমরা মায়ের কত যত্ন নিই, কত বাছবিচার, কত ডাক্তার, কত চিকিৎসা।

অথচ ওই নারী ধর্ষিতা হয়ে গর্ভবতী অবস্থায় পড়ে থাকলেন জেলে। জেলেই জন্ম হলো বাচ্চার, সেই বাচ্চা কোলে নিয়েই তিনি নামলেন ঢাকা বিমানবন্দরে। মেয়েটি কুমারী, বিয়ে হয়নি, এই বাচ্চা নিয়ে গ্রামে যাবেন কীভাবে? অনেকে বাচ্চাটাকে বিমানবন্দরেই রেখে চলে যান। কখনো বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বাচ্চাকে নিয়ে আসে ব্র্যাকের কাছে, আমরা আমাদের আওতার মধ্যে মা ও শিশুর জন্য যতটুকু মঙ্গল করা সম্ভব, চেষ্টা করি।

শুনলে অবাক হবেন, আমার রাষ্ট্রের ডাটাবেজে, মন্ত্রণালয়ে, দূতাবাসে কোথাও একটা কাগজেও লেখা নেই এমন নির্যাতনের শিকার হয়ে কতজন নারী ফিরলেন। কতজন গর্ভবতী হয়ে ফিরলেন, কতজন নির্যাতন সইতে না পেরে আত্মহত্যা করলেন, তার কোনো হিসাব নেই। বিচার তো অনেক দূরের কথা, রাষ্ট্রীয় ক্ষতিপূরণও দূরের বিষয়, এঁদের তথ্যটুকুও কোথাও নেই। আমার কাছে যে তথ্য আছে, তা আমার রাষ্ট্রের কাছে নেই, চ্যালেঞ্জ করে বললাম। এই হলো আমাদের পররাষ্ট্রনীতি আর শ্রমিক সুরক্ষার অবস্থা।

এ তো গেল নারীদের কথা। পুরুষও রেহাই পায় না। আমি নিজে একটা কেস সামলেছি, এক তরুণ ছেলে, বয়স বিশের বেশি হবে না। কাজ করতে গিয়েছিল সেই দেশে। প্রতিদিন আমাকে ফোন করে চিৎকার করে কাঁদত, ভাই, আমাকে বাঁচান। মালিক আর তার বন্ধুরা আমারে ছাগল চড়াইতে এক মরুভূমিতে এনে রাখছে, এখানে রোজ মালিক আর তার বন্ধুরা আসে, আমারে বলাৎকার করে। ছেলেটা বলছিল আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে, কিন্তু সাহসে কুলায় উঠছে না। শেষ পর্যন্ত সেই ছেলেটাকেও উদ্ধার করে এনেছিলাম।

আরও শুনুন। বিনা বিচারে, বৈধ ভিসা থাকা সত্ত্বেও সৌদি পুলিশ প্রতিদিন গড়ে ৩০০ বাংলাদেশি শ্রমিককে গ্রেপ্তার করে। এর মধ্যে বিশাল একটা অংশের ভিসা বৈধ থাকে, তবু গ্রেপ্তার করে দেশে পাঠিয়ে দেয়। কোনো জবাবদিহি নেই, কোনো বিচার নেই। কিসের দূতাবাস, কিসের কূটনীতি, এসব শুনলে এখন হাসি পায়।

আর সেই দেশই নাকি আমার দেশের নাগরিকদের অনৈতিক কাজের অপরাধে বিচার করে [১]। আমি এমন কেস পেয়েছি, যেখানে ধর্ষণ থেকে বাঁচতে একজন নারী নামাজ দীর্ঘ করতেন, আর দেরি হলে সৌদির এক নাগরিক তাঁকে নামাজ থেকে টেনে তুলে আনত। সেই দেশ নাকি ব্যভিচারের দায়ে আমার দেশের নাগরিককে হত্যা করে!

আজব ব্যাপার হলো, আমার দেশের মানুষই সেই মৃত্যুদণ্ডের খবরের নিচে গিয়ে কমেন্টে লিখছে, আলহামদুলিল্লাহ। এক রাজনৈতিক ব্যক্তির বক্তব্য দেখলাম, তিনি বলছেন এই পাপের লাশ তিনি দেশে চান না। অথচ ওই পাপ বয়ে দেশে ফেরা কোনো ধর্ষিতার পাশে এঁদের কেউ কোনোদিন এসে দাঁড়ায় না।

শুনুন, গুগল করে দেখুন। ২০১১ সালে সৌদি আরব রুয়াতি বিনতে সাতুবি নামের এক ইন্দোনেশীয় নারীকর্মীর শিরশ্ছেদ করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে, আর ইন্দোনেশিয়া সরকারকে আগে একটা কথাও জানায়নি। ঠিক আমাদের দুই নাগরিকের মতো। কিন্তু ইন্দোনেশিয়া চুপ করে বসে থাকেনি। তারা সৌদি আরবে গৃহকর্মী পাঠানোই বন্ধ করে দেয়, আর কূটনৈতিক সম্পর্কে ধাক্কা লাগে।

অথচ দিনের-পর-দিন আমাদের নারীরা এভাবে অত্যাচারিত হচ্ছেন, আর একটা শব্দ করার সাহসও আমাদের রাষ্ট্রের নেই।

* ছবি: মধ্যপ্রাচ্য থেকে অত্যচারের শিকার হয়ে সন্তান নিয়ে দেশে ফিরে আসার পর ২০২২ সালে ছোট্ট শিশুটির সাথে এই ছবিটা রেখেছিলাম।"

—লেখক: M Rayhan Kabir

(https://www.facebook.com/share/1DwYxzGJuq/)

Monday, October 19, 2026

কার পাপ—হে পরম করুণাময়, তোমার কাছে জমা রইল!

সৌদিতে ২জন বাংলাদেশীর শিরোচ্ছেদ করা হয়েছে। কেউ জানে না! অথচ তিন বছর আগে থেকেই এই মামলা চলমান—আপিলে এই রায় হয়েছে।

সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতও জানেন না!

তিনি জানেন না, কেন? তাহলে এই দেলোয়ার হোসেন নামের রাষ্ট্রদূতকে আমাদের ট্যাক্সের টাকায় বেতন দেই, কেন? তাকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে ঢাকায় ফেরত এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে স্থির করার হোক, তার চাকুরি থাকবে, কি থাকবে না।

শামা ওবায়েদ নামের আমাদের এই মন্ত্রী বাহাদুর বলছেন, অনৈতিক কাজের জন্য। আমাদেরকে আবার সবকও দিচ্ছেন। 'এটা যে আমাদের জন্য শিক্ষা', তা জেনেও আমরা শিক্ষিত হলাম!

বাই দ্য ওয়ে, সৌদি রাষ্ট্রদূত ঈসা বিন ইউসুফ আল দুহাইলান যে মেঘনা আলমের সঙ্গে লটরপটর করেছিলেন (চুইংগামের সাথে কি-কি চাবিয়েছে এটার বিস্তারিত মেঘনা আলমের কাছ থেকে একটু জেনে নিয়েন) এই সমস্ত তথ্য আপনি জানেন না, তাই না?
আফসোস, আপনার সময়ে এই ঘটনাটা ঘটলে বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে কঠিন-একটা মামলা ঠুকে দিতেন, না? বলা যায় না মুন্ডু নাই করে দিতেন।  বাতাসে ভেসে বেড়াত দুহাইলানের পাগড়ি ...!

আমাদের মন্ত্রী মহোদয় এও জানাচ্ছেন, তিনি নাকি এই খুন সম্বন্ধে হালে, ২০২৬ সালের ১৪ অক্টোবর অবগত হয়েছেন এবং বাংলাদেশ মিশন নামের অথর্ব প্রতিষ্ঠানেরও নাকি এই বিষয়ে জানা ছিল না! অথচ তিন বছর ধরে এই মামলা চলছিল...!


বাস্তবে এই ঘটনাটা কিন্তু ২০২৩ সালের!


অংকে কাঁচা হওয়ার কারণে (তিন নং নাকি আঠারো—পাশে ইউএনও আবার মাথাও নাড়ছেন) তিনি ২০২৩ সালকে ২০২৬ সালের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেছেন:


এক মন্ত্রী আরেক মন্ত্রীকে ছাড়িয়ে যান!
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা হুমায়ুন কবির বলছেন, সৌদি আরবের সাথে আমাদের 'জেনেভা কনভেনশন'...! তিনি কোনটা জেনেভা কনভেনশন আর কোনটা ভিয়েনা কনভেনশন এটাই জানেন না!

আমাদের মত সাধারণ-কেউ হলে, 'অনেকদিন পর একজন অমানুষ দেখলাম' এটা বলতে পারলে ভাল লাগত কিন্তু তিনি নাকি একজন আইনপ্রণেতা! তাই বলতেই হয়, 'এই জীবনে একজন নিষ্পাপ-পবিত্র মানুষ দেখলাম'! কী অবলীলায়ই না এই পবিত্র মানুষ বলছেন,
এই পাপীদের লাশ যেন দেশে না আসে!


এই প্রতিবেদন সত্য হয়ে থাকলে লানত বর্ষিত হোক:

আহারে, পবিত্র মানুষের পবিত্র নগরী! 


আহারে-আহারে! কী পবিত্র-কী পবিত্র!


আল্লাহ না করেন, এই সমস্ত 'পবিত্র স্যারদের' বউ-ঝিরা কেউ-যদি পেটের দায়ে ওই পবিত্র নগরী থেকে একবার ঘুরে আসত!


ওরা এত পবিত্র-এত পবিত্র! এক নারীর কাছে জোর করে বাপও যায়, ছেলেও যায়! [০]

আসলে এদেরকে কোন অর্থে মানুষ বলা চলে? আল্লাহ হয়তো এদেরকে হেদায়েত করার জন্যই সমস্ত নবীদের ওখানেই পাঠিয়েছিলেন।


পাপের এক নগরী!


আচ্ছা, ডিয়ার, সৌদি শাসক সালমান, খাসোগিকে কয় টুকরা করিয়েছিলেন?
ওহ না, টুকরো হিসাব করার তো সময় পাওয়া যায়নি—এসিডে গলিয়ে ড্রেনে ভাসিয়ে দিয়েছিলেন কি?
জানি-জানি, আপনি বলবেন আমাকে কী কেউ দেখেছে নিজের হাতে খুন করতে? আমি কি আপনাকে গোল্ডা মায়ারের সেই বিখ্যাত উক্তি মনে করিয়ে দেব?
"কাউকে খুন করা আর খুন করার সিদ্ধান্ত দেওয়ার মধ্যে কোনো পার্থক্য নাই!"
হজ এবং দরিদ্র দেশের লোকজনেরা আপনার দেশে ধর্ম-পেটের দায়ে যায় বলেই কী আপনি তাদের সন্তানকে মেরে ফেলে একটু জানাবেনও না! আপনি কি ভিয়েনা কনভেশনের [*] আওতাভুক্ত না?

চুমু খাওয়ার অপরাধে (কারণ এই অতি ব্যস্ত জায়গায় এর বেশি কিছু করার সুযোগ তাদের ছিল না) আপনি কল্লা উড়িয়ে দিলেন। বেশ-বেশ!
ইয়ে, অপার ক্ষমতার অধিকারী ডিয়ার কিং সালমান,  ট্রাম্প যে তার পশ্চাদদেশে আপনাকে চুমু খেতে বলেছিল; খেয়েছিলেন?
অফিসের একটু  ঝামেলার কারণে এই বিষয়ে বিশদ আর খোঁজ রাখতে পারিনি, তা পরে কি হলো...?  

... ... ... 
এই যে আরেকটা বিরাট বিজ্ঞানী এক পদার্থ চলে এসেছেন! হেলিকপ্টারে করে ঘুরে-ঘুরে ওয়াজ করে টাকা নেবেন আর আজগুবি-সব কথা বলবেন! গুইসাপ নাকি বাঁচে ৭৫০ বছর, মানুষের ব্রেনের ওজন ৬০ গ্রাম [১]...!
কী আজব, ইন্টারভিউ করতে গিয়ে এই সমস্ত প্রশ্ন একে না-করে খালেদ মুহিউদ্দিন পারলে ইয়েতে খানিকটা ইয়ে করে দেন!
ইনি বলছেন ওরা জেনা করেছিল! ওখানে ডাইরেক্ট উপস্থিত ছিলেন! চোখগুলো পাঞ্জাবির হাতায় ভাল করে ঘষে তারপর দেখে বলেছেন। 
ব্যাটা, এটা জেনা, না? আর মসজিদে-মাদ্রাসায় বলাৎকার করলে [২, ৩] সেটা 'গরুর চ্যানা' ওরফে গরুর চোনা হয়? তখন বলার জন্য মুখটা কই থাকে!
এই আব্বাসী, এ নাকি ইসলামি স্কলার! নিজেই নিজেকে গ্রান্ড মুফতি দাবী করে! এ বলছে এই শিরোচ্ছেদ নাকি ১০০ পার্সেন্ট সঠিক!

অথচ ব্যভিচার-জেনার জন্য কোরানে কোথাও মেরে ফেলার কথা বলা নাই [**]—১০০ দোররা মারার কথা আছে!
হাদিসে আছে, বিবাহিত হলে রজম করা মানে মেরে ফেলা[***]!
আর সৌদি আরবে শিরোচ্ছেদ জেনার জন্য হয় না [****!

মোল্লারা যে মাহফিল করে টাকা নেন এই বিষয়ে কিন্তু 'কবি নিরব'! মসজিদে ইমামতি করে, মাদ্রাসায় পড়িয়ে যাও টাকা নেওয়া চলে কিন্তু মাহফিলের নামে টাকা নিয়ে এরা স্রেফ ধর্মকে বিক্রি করছে!

এক আব্বাসিই এক মাহফিলে নেন মিনিমাম ৪০ হাজার টাকা। এই লোকের আবার হেলিকপ্টার ছাড়া চলে না কারণ একাধিক মাহফিল করতে হয়। গড়ে ১ লাখ টাকা ধরলে মাসে আয় ৩০ লাখ টাকা! ধরে নেন, আব্বাসীর দাস্ত বা বিভিন্ন কারণে মাসের কিছু দিন ওয়াজ না-করার কারণে ১০ লাখ বাদ—তাও মাসে ২০ লাখ!
এবং বিধবা-দরিদ্র একজন মহিলা ব্যাংকে টাকা রাখলে সরকার তাঁর কাছ থেকেও ট্যাক্স কেটে রাখবে। কিন্তু আব্বাসীর অন্যায্য টাকা ট্যাক্স ফ্রি। আবার এই আব্বাসীই ওই অসহায় দরিদ্র মহিলা হারাম খান বলে ফতোয়া দেবেন কিন্তু নিজের বেলায় বোবা হয়ে যাবেন। 

কী অদ্ভুত ফতোয়া দেন এই আব্বাসী!
বাই দ্য ওয়ে, এই লোক লিপিস্টিক লাগায় নাকি!

দয়া করে আমাকে একটু বুঝিয়ে দেন কোন যুক্তিতে, ধর্মীয় ব্যাখ্যায় ওয়াজ করার নামে এই টাকা হালাল!

এই যে আরেক অপদার্থ, নির্বোধ! মহিউদ্দিন মোহাম্মদ নামের স্বঘোষিত দার্শনিক, এ নিজেকে নিজেই দার্শনিক-বুদ্ধিজীবী টাইটেল দিয়ে বসে আছে!
এটা তার সোশ্যাল মিডিয়ায় এটা প্রসব করেছে। তার এই প্রসববেদনার প্রতি সম্মান রেখেই বলি,  আপনি একটা ইতর, স্রেফ ইতর!
পরে..., দ্য ডিসেন্টের ফ্যাক্ট-চেকে দেখা যায় মহিউদ্দিন মোহাম্মদের দেওয়া এই তথ্য-ছবি ভূয়া!
পূর্বে মহিউদ্দিন মোহাম্মদকে ইতর বলার জন্য দুঃখ প্রকাশ করি। আসলে সে ইতর না, একটা চুতিয়া! 

* Vienna Convention on Consular Relations 1963, Article 36:
"Communication and contact with nationals of the sending State
1. With a view to facilitating the exercise of consular functions relating to nationals of the sending State:
(a) consular officers shall be free to communicate with nationals of the sending State and to have access to them. Nationals of the sending State shall have the same freedom with respect to communication with and access to consular officers of the sending State;
(b) if he so requests, the competent authorities of the receiving State shall, without delay, inform the consular post of the sending State if, within its consular district, a national of that State is arrested or committed to prison or to custody pending trial or is detained in any other manner. Any communication addressed to the consular post by the person arrested, in prison, custody or detention shall also be forwarded by the said authorities without delay. The said authorities shall inform the person concerned without delay of his rights under this subparagraph;
(c) consular officers shall have the right to visit a national of the sending State who is in prison, custody or detention, to converse and correspond with him and to arrange for his legal representation. They shall also have the right to visit any national of the sending State who is in prison, custody or detention in their district in pursuance of a judgment.

2. The rights referred to in paragraph 1 of this Article shall be exercised in conformity with the laws and regulations of the receiving State, subject to the proviso, however, that the said laws and regulations must enable full effect to be given to the purposes for which the rights accorded under this Article are intended."
—Source: Nations, Treaty Series Vol. 596, p. 261.

** ব্যাভিচার বা জিনা নিয়ে কোরানে আয়াত:
১. জিনার [অবৈধ যৌনসংযমের] কাছে যেয়ো না; এ অশ্লীল ও মন্দ পথ। (১৭ সুরা বনি-ইসরাইল: ৩২)

২. আর তারা আল্লাহর সঙ্গে অন্য কোনো উপাস্যকে ডাকে না, আল্লাহ্ যাকে যথার্থ কারণ ছাড়া হত্যা করতে নিষেধ করেছেন তাকে হত্যা করেনা, আর ব্যভিচার করে না। যারা এসব করে তারা শাস্তি ভোগ করবে। কিয়ামতের দিন তাদের শাস্তি বাড়ানো হবে আর সেখানে তারা হীন অবস্থায় চিরকাল থাকবে। (২৫ সুরা ফুরকান: ৬৮-৬৯)

৩. হে নবিপত্নীগণ! যে-কাজ স্পষ্টত অশ্লীল তোমাদের মধ্যে কেউ তা করলে তাকে দ্বিগুণ শাস্তি দেওয়া হবে। আর এ আল্লাহর জন্য সহজ। (৩৩ সুরা আহজাবঃ ৩০)

৪. তোমাদের নারীদের মধ্যে যারা ব্যভিচার করে তাদের বিরুদ্ধে তোমাদের মধ্য থেকে তোমরা চারজন সাক্ষী নেবে, যদি তারা সাক্ষ্য দেয় তবে তাদের ঘরে আটক করবে, যে-পর্যন্ত না তাদেরকে মৃত্যু হয় বা আল্লাহ্ তাদের জন্য অন্য কোনো ব্যবস্থা করেন। আর তোমাদের (পুরুষদের) মধ্যে যে-দুজন এ করবে তাদেরকে শাস্তি দেবে। তবে যদি তারা তওবা করে ও শুদ্ধ হয় তবে তাদেরকে রেহাই দেবে। আল্লাহ তো ক্ষমা করেন, দয়া করেন। (৪ সুরা নিসাঃ ১৫-১৬)

৫. (যারা ডান হাতের তাঁবে রয়েছিল) বিয়ের পর যদি তারা ব্যভিচার করে তবে তাদের শাস্তি স্বাধীন নারীর অর্ধেক। তোমাদের মধ্যে যারা ব্যাভিচারকে ভয় করে এ তাদের জন্য। আর তোমরা ধৈর্য ধরলে তো তোমাদের জন্য মঙ্গল। আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (৪ সুরা নিসাঃ ২৫)

৬. এ এক সুরা আমি অবতীর্ণ করেছি ও এর মধ্যে দিয়েছি অবশ্যপালনীয় বিধান। এর মধ্যে আমি স্পষ্ট আয়াত অবতীর্ণ করেছি যাতে তোমরা সতর্ক হও। ব্যভিচারিণী ও ব্যভিচারী, ওদের প্রত্যেককে একশো দোররা মারবে। আল্লাহর বিধান কার্যকর করতে ওদের ওপর দয়ামায়া যেন তোমাদেরকে অভিভূত না করে, যদি তোমরা আল্লাহর ও পরকালে বিশ্বাসী হও। বিশ্বাসীদের একটি দল যেন ওদের শাস্তি প্রত্যক্ষ করে। ব্যভিচারী কেবল ব্যভিচারিণী বা অংশীবাদিনীকেই এবং ব্যভিচারিণী কেবল ব্যভিচারী বা অংশীবাদিকে বিয়ে করবে। বিশ্বাসীদের জন্য এদেরকে বিয়ে করা অবৈধ।
যারা সাধ্বী রমণীর প্রতি অপবাদ আরোপ করে ও সপক্ষে চারজন সাক্ষী উপস্থিত করে না তাদের আশিবার কষাঘাত করবে এবং কখনও তাদের সাক্ষ্য নেবে না। এরাই তো সত্যত্যাগী। তবে যদি এরপর ওরা তওবা করে ও নিজেদের কাজ সংশোধন করে তবে তো আল্লাহ্ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
আর যারা নিজেদের স্ত্রীর ওপর অপবাদ আরোপ করে অথচ নিজেরা ছাড়া তাদের কোনো সাক্ষী নেই তাদের প্রত্যেকের সাক্ষ্য এই হবে যে, সে আল্লাহর নামে চারবার শপথ করে বলবে যে, সে অবশ্যই সত্য বলছে, আর পঞ্চমবার বলবে, 'সে যদি মিথ্যা বলে তবে তার ওপর আল্লাহর অভিশাপ নেমে আসবে।' তবে স্ত্রীর শাস্তি বন্ধ করা হবে যদি সে চারবার আল্লাহর নামে শপথ করে সাক্ষ্য দেয় যে, তার স্বামীই মিথ্যা বলছে, আর পঞ্চমবার বলে, 'তার স্বামী সত্য বললে তার নিজের ওপর আল্লাহর গজব নেমে আসবে।' তোমাদের ওপর আল্লাহর অনুগ্রহ ও দয়া না থাকলে আর আল্লাহ্ তওবা গ্রহণ না করলে এবং তিনি তত্ত্বজ্ঞানী না হলে (তোমরা কেউ অব্যাহতি পেতে না)। (২৪ সুরা নূরঃ ১-১০)

৭. যাদের বিয়ের সামর্থ্য নেই, আল্লাহ্ তাদেরকে নিজ অনুগ্রহে অভাবমুক্ত না করা পর্যন্ত তারা যেন সংযম পালন করে। আর তোমাদের ডান হাতের তাঁবের দাসদাসীর মধ্যে কেউ (তার মুক্তির জন্য) লিখে নিতে চাইলে তাদেরকে লিখে দাও, যদি তোমরা তাদেরকে ভালো জান। আল্লাহ্ তোমাদের যে-সম্পদ দিয়েছেন তা থেকে তোমরা ওদেরকে দান কর। তোমাদের দাসীরা সতীত্ব রক্ষা করতে চাইলে পার্থিব জীবনের টাকাপয়সার লোভে তাদেরকে ব্যভিচারীণী হতে বাধ্য কোরো না। তবে কেউ যদি তাদেরকে বাধ্য করে, তাদের ওপর সেই জবরদস্তির জন্য আল্লাহ্ তো তাদেরকে ক্ষমা করবেন, দয়া করবেন। (২৪ সুরা নূরঃ ৩৩)

৮. বিশ্বাসী সচ্চরিত্রা নারী ও তোমাদের পূর্বে যাদেরকে কিতাব দেওয়া হয়েছে তাদের সচ্চরিত্রা নারী তোমাদের জন্য বৈধ করা হল, যদি তোমরা তাদেরকে মোহর প্রদান কর বিয়ের জন্য, ব্যভিচার বা উপপত্নী গ্রহণের জন্য নয়। (৫ সুরা মায়িদা: ৫)

অনুবাদ: কোরান শরীফ, মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান 

*** রজম বা হত্যা করার সহীহ হাদিস:
১. Narrated Ibn `Abbas: `Umar said, "I am afraid that after a long time has passed, people may say, 'We do not find the Verses of the Rajam (stoning to death) in the Holy Book,' and consequently they may go astray by leaving an obligation that Allah has revealed. Lo! I confirm that the penalty of Rajam be inflicted on him who commits illegal sexual intercourse, if he is already married and the crime is proved by witnesses or pregnancy or confession. Sufyan added, I have memorized this narration in this way. `Umar added, Surely Allah's Messenger carried out the penalty of Rajam, and so did we after him."
বাংলা: উমর (রা.) বলেন, আমি আশঙ্কা করি দীর্ঘদিন পর লোকেরা বলবে কোরানে রজমের আয়াত নেই, তাই আল্লাহর নাজিল করা ফরজ ছেড়ে তারা পথভ্রষ্ট হবে। জেনে রাখো, বিবাহিত কেউ যিনা করলে এবং সাক্ষী, গর্ভ বা স্বীকারোক্তি দ্বারা প্রমাণিত হলে তার উপর রজম ওয়াজিব। আল্লাহর রাসূল রজম করেছেন, আমরাও তারপর করেছি। (Sahih al-Bukhari 6829) 
লিংক:https://sunnah.com/bukhari:6829

২. Narrated Ibn `Abbas: When Ma'iz bin Malik came to the Prophet, the Prophet said to him, "Probably you have only kissed (the lady), or winked, or looked at her?" He said, "No, O Allah's Messenger!" The Prophet said, using no euphemism, "Did you have sexual intercourse with her?" The narrator added: At that, (i.e. after his confession) the Prophet ordered that he be stoned (to death). a077

বাংলা: মায়িয বিন মালিক নবীর কাছে এসে যিনা স্বীকার করলে, নবী (সা.) বললেন, "তুমি হয়তো শুধু চুমু খেয়েছো বা ইশারা করেছো?" সে বললো না। তখন নবী স্পষ্ট ভাষায় জিজ্ঞেস করলেন, "তুমি কি তার সাথে সহবাস করেছো?" স্বীকার করার পর নবী তাকে পাথর মেরে হত্যার আদেশ দিলেন। (Sahih al-Bukhari 6824)
লিংক:https://sunnah.com/bukhari:6824

৩. Narrated `Abdullah: Allah's Apostle said, "The blood of a Muslim who confesses that none has the right to be worshipped but Allah and that I am His Apostle, cannot be shed except in three cases: In Qisas for murder, a married person who commits illegal sexual intercourse and the one who reverts from Islam (apostate) and leaves the Muslims." 
বাংলা: যে মুসলিম কালেমা পড়ে, তার রক্ত হালাল নয় তিনটি কারণ ছাড়া: (১) হত্যার বদলে হত্যা, (২) বিবাহিত অবস্থায় যিনাকারী (الثيب الزاني), (৩) দ্বীন ত্যাগকারী মুরতাদ। (Sahih al-Bukhari 6878)
লিংক:https://sunnah.com/bukhari:6878
**** কোরান এবং হাদিসের আলোকে কোন প্রকারেই সৌদি এদের শিরোচ্ছেদ করতে পারে না! কোরানে হত্যার কথা নেই। হাদিসে হত্যার কথা আছে তবে বিবাহিত হলে। এটাও ধোপে টেকে না!
এরা অন্য পথে হেঁটেছে! সারাংশ হচ্ছে:
"যদি এটা জেনাই হয়, তাহলে শরিয়া অনুযায়ী শাস্তি হওয়ার কথা ছিল ১০০ দোররা বা রজম। শিরশ্ছেদ হলো কিভাবে? কারণ সৌদি জানে এটা জেনা হিসেবে প্রমাণ করা যাবে না, ৪ জন সাক্ষী নেই, স্বীকারোক্তি নেই। তাই তারা 'মসজিদের পবিত্রতা'র নামে তা'জির দিয়ে গলা কেটেছে।"

সূত্র:
০. সৌদি আরব নামের অমানবিক এক রাষ্ট্র: https://www.ali-mahmed.com/2026/10/m-rayhan-kabir-httpswww.html?m=1
১. আব্বাসি, এক মহা বিজ্ঞানী: https://www.ali-mahmed.com/2026/10/blog-post_12.html?m=1
২. জেনা-বলাৎকার: https://www.ali-mahmed.com/2026/09/blog-post_08.html?m=1
৩. বলাৎকার  এবং শরিয়া আইন: https://www.ali-mahmed.com/2026/06/blog-post.html?m=1


  

Sunday, October 18, 2026

ইশরাক হোসেন, অসম্ভবকে সম্ভব করাই যার কাজ!

যারা ইশরাক হোসেনের হাতে 'মাসুক নানা' ওরফে মাসুদ রানার ওয়েলথার পিপিকে টাইপ স্মল আর্মস দেখে চমকে গেছেন বা কেউ-কেউ না-জেনে ট্রল করছেন তারা এই মানুষটা সম্বন্ধে জানেন না! অনন্ত জলিল কোন ছার!
পিস্তল ব্লার করে দেওয়ায় যারা বিশ্বাস করছেন না তাদের জন্য ইয়ের খাপ মানে পিস্তলের খাপ খুলে দেওয়া হলো:

বিশ্বাস হচ্ছে না তো? এই দেখেন, শত মানুষের মাঝে কী বিপুল শক্তি ব্যয় করে ঠিকই নিজের জায়গা করে নিয়েছেন—মধ্য মনি হয়েছেন। আর কী অমায়িক হাসি—হাসিতে যেন মুক্তো ঝরে!

তিনি যে কেবল পিস্তল উঁচিয়ে মাদকসেবি, মাদকবিক্রেতাদের ধরতে পারেন এমনই না উসাইন বোল্টের মত ঝড়ের গতিতে দৌড়াতেও পারেন!
তিনি মাসুদ রানা—কিরিটি—দস্যু বনহুর—দস্যু রানী—কুয়াশা—জেমস বন্ডের পাশাপাশি চলন্ত বাসকেও অবলীলায় পেছনে ফেলে  দেন!

কেবল তাই না, অনন্ত জলিলের মত অসম্ভবকে সম্ভব করা একমাত্র তার পক্ষেই সম্ভব। কে কবে পেরেছে 'স্পার্কল ক্যান্ডেল' ফুঁ দিয়ে নেভাতে? আপনি নিভিয়ে দেখান...!

আপনি তিন বাহিনীর প্রধানের সঙ্গে আরেক প্রধান দেখবেন:

 
... ... ... 
ইসরাক হোসেনের সাথের লোকজনের হাতে যে অস্ত্র দেখা যাচ্ছে এগুলোও কি সরকার লাইসেন্স দেয়!

সাদেক হোসেন খোকা একটা অপগন্ড রেখে গেছেন!
৫ই আগস্টের আগে নাকি বাংলাদেশ নামে কোন দেশ ছিল না তাহলে এর বাপ কোন দেশের জন্য যুদ্ধ করেছিলেন!

* ইসরাক হোসেন তার ফেসবুকে একটা ব্যাখ্যা দিয়েছেন। যেটা 'হাইস্যকর', 'অতি হাইস্যকর':
"গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচি ও লাইসেন্সকৃত অস্ত্র বহনের প্রেক্ষাপট নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর বিবৃতিঃ
তারিখ: ০৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ইং
ঢাকা: গত ১৭ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ ঢাকা-৬ আসনের গেন্ডারিয়া রেললাইনসংলগ্ন এলাকায় মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ এবং আত্মরক্ষার্থে ব্যক্তিগত লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র বহনের ঘটনায় বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত খণ্ডিত ও বিভ্রান্তিকর সংবাদের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, এমপি।
আজ (১৮ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে তিনি জানান, একটি স্পর্শকাতর ঘটনার মাত্র কয়েক সেকেন্ডের দৃশ্যকে কেন্দ্র করে প্রচারিত ভিডিও, ফটোকার্ড ও খণ্ডিত শিরোনাম সামগ্রিক প্রেক্ষাপটকে মূল্যায়ন করে না।
যার ফলে মাননীয় প্রতিমন্ত্রীর ভূমিকা ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে জনমনে পরিকল্পিত বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
মাদক পরিস্থিতি ও পূর্ববর্তী দাপ্তরিক উদ্যোগ:
মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ঢাকা-৬ আসনের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই গেন্ডারিয়ার ঘণ্টিঘর, মুন্সিটেক, করাতিটোলা ও তৎসংলগ্ন এলাকায় মাদক কেনাবেচা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদকের বিস্তার নিয়ে স্থানীয় অধিবাসীদের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেয়ে আসছেন। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পরবর্তী সময়ে এই জনপদটি মাদক সিন্ডিকেটের অন্যতম প্রধান ট্রানজিট পয়েন্টে পরিণত হয়। গত জুন মাসে মাদক-সংক্রান্ত এক সহিংসতায় ৩ জন নিরীহ নাগরিক গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তিনি এলাকাটি সরজমিনে পরিদর্শন করেন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে একাধিক সমন্বয় সভা করেন।
জনবলসংকট দূরীকরণ এবং মাদকের আস্তানা সংলগ্ন স্থানে স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট থানাকে আধাসরকারি পত্র (DO Letter) প্রদান করলেও তা এখনো বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। 
তিনি স্পষ্ট করেন, সর্বশেষ পুলিশ প্রশাসন এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দের যৌথ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী—সাধারণ নাগরিক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অংশগ্রহণে একটি সমন্বিত সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচির অংশ হিসেবেই তিনি গতকাল উক্ত এলাকায় যান।
আত্মরক্ষার্থে অস্ত্র প্রদর্শনের সুনির্দিষ্ট কারণ:
ঘটনাস্থলে গমনাগমনের পূর্বে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নিজস্ব গোয়েন্দা সূত্রে মাননীয় প্রতিমন্ত্রীর নিরাপত্তাঝুঁকি এবং মাদক কারবারিদের পক্ষ থেকে ছাদ থেকে আকস্মিক গুলিবর্ষণের আশঙ্কার বিষয়ে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “কর্মসূচি চলাকালে একটি অস্থায়ী আস্তানার নিকট পৌঁছালে ৩০ থেকে ৩৫ জন আইনলঙ্ঘনকারী ব্যক্তি অতর্কিতে হইচই করে আমাদের গাড়িবহরের দিকে মারমুখী ভঙ্গিতে ধেয়ে আসে।
এমতাবস্থায় সুনির্দিষ্ট হামলার আশঙ্কা এবং জানমালের নিরাপত্তায় আমি এবং আমার সরকারি নিরাপত্তারক্ষীরা গাড়ি থেকে নেমে অত্যন্ত স্বল্প সময়ের জন্য আত্মরক্ষার্থে অস্ত্র উঁচিয়ে ধরি। সম্ভাব্য অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি নস্যাৎ হওয়ার পরপরই অস্ত্রটি যথাস্থানে রাখা হয়। উক্ত আগ্নেয়াস্ত্রটি যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক লাইসেন্সপ্রাপ্ত এবং এর প্রদর্শনী কেবলই আত্মরক্ষার স্বার্থে আইনি কাঠামোর মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।”
পুলিশের উপস্থিতিতে যৌথ অভিযান ও আইনি ব্যবস্থা:
ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর অনতিবিলম্বে গেন্ডারিয়া থানা-পুলিশকে অবহিত করা হয়। পরবর্তীতে পুলিশের প্রত্যক্ষ উপস্থিতিতে ও সহায়তায় সন্দেহভাজন আস্তানাগুলোতে যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় ৪-৫টি অবৈধ ও অস্থায়ী মাদকের আস্তানা উচ্ছেদ করা হয়। আস্তানাগুলো থেকে হেরোইন বা হেরোইনজাতীয় মাদকদ্রব্য, বিদেশি মদ, মাদক সেবনের সরঞ্জাম, বেশ কিছু দেশীয় ধারালো অস্ত্র, মাদক বিক্রির নগদ অর্থ এবং ছিনতাইকৃত মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।উক্ত অপরাধের সাথে হাতেনাতে জড়িত ৬ জন মাদক কারবারিকে আটক করে জব্দকৃত আলামতসহ গেন্ডারিয়া থানা-পুলিশের নিকট সোপর্দ  করা হয়েছে।
গণমাধ্যমের খণ্ডিত উপস্থাপনা ও বস্তুনিষ্ঠতার আহ্বান:
মাননীয় প্রতিমন্ত্রী গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, “দূর্ভাগ্যজনকভাবে প্রথম আলো, দ্য ডেইলি স্টার, দৈনিক ইত্তেফাক ও দৈনিক কালবেলাসহ মুষ্টিমেয় কয়েকটি গণমাধ্যম অতিউৎসাহী হয়ে খণ্ডিত তথ্য ও ফটোকার্ডের মাধ্যমে অপতথ্য ও বিকৃত সংবাদ পরিবেশন করেছে। 
বিকৃত, মিথ্যা এবং সম্পূর্ণ বানোয়াট এসব সংবাদ মূলত অভিযানের সাফল্য, পুলিশের ভূমিকা, মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার এবং ৬ জন অপরাধী আটকের ইতিবাচক দিকটি সুপরিকল্পিতভাবে সম্পূর্ণ এড়িয়ে গেছে। এর মাধ্যমে তারা সরকার ও জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তারা কেবল ‘অস্ত্র হাতে প্রতিমন্ত্রীর অভিযান’—এই খণ্ডিত দৃশ্যটিকে চটকদার শিরোনামে প্রচার করেছে, যা স্বাধীন ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পরিপন্থী।”মাননীয় প্রতিমন্ত্রী গণমাধ্যমসমূহকে যেকোনো সংবাদের সত্যতা যাচাইপূর্বক পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপটসহ তা প্রকাশের আহ্বান জানান।
মাদক নির্মূলে দৃঢ় প্রত্যয়:
মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের 'জিরো টলারেন্স' নীতি পুনর্ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, “মাদকের আস্তানা সম্পূর্ণরূপে উপড়ে ফেলা এবং ঢাকা-৬ আসনকে মাদকমুক্ত করা জনগণের নিকট আমার অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার। একটি ঘটনাকে খণ্ডিত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রচারের মাধ্যমে গড়ে ওঠা সামাজিক আন্দোলনকে স্তব্ধ করা যাবে না।” জনস্বার্থে এই অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।"
—বার্তা প্রেরক:
মাহফুজ কবির মুক্তা,
প্রেস কর্মকর্তা 
ইশরাক হোসেন এমপি ও প্রতিমন্ত্রী, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।"

অবশেষে সবাইকে হাসিয়ে তিনি বিদায় নিলেন:


যেহেতু তিনি মাদক নিয়ে সোচ্ছার তাই ধরে নিচ্ছি এই ভিডিও ক্লিপটা সত্যি না:

...
ইসরাকের না-হয় একটা গতি হলো কিন্তু তার সাথে থাকা পাভেল শিকদার স্যারের কি হলো? পূর্বেও বলেছি, আবারও বলি, কোন সিভিলিয়ানকে এই M16A4-এর লাইসেন্স দেওয়ার কোন উদাহরণ আছে বলে আমার জানা নেই!






Thursday, October 15, 2026

বিরল একটা দেশ!

 

হাইওয়েতে লক্ষ-লক্ষ টেসলা নামের যে গাড়িগুলো চলে এটার একটা ছোট্ট নমুনা। এগুলো নাকি নিষিদ্ধ! বিভিন্ন পাজি দেশ সরকারের চোখে ধুলো দিয়ে সাবমেরিন করে এগুলো পুশ-ইন করেছে আমাদের দেশে। নইলে কিন্তু সরকার বাহাদুর পাকড়াও করে ফেলতেন।

অবৈধ বালু উত্তোলন করে রাস্তা কেটে মোটা-মোটা পাইপ নিয়ে যাবে। সাধারণ-কেউ প্রতিবাদ করলে তার 'ফর্টিন্থ জেনারেশন' উদ্ধার করবে।
'ভাইরাল' না-হওয়া পর্যন্ত কারও চোখে পড়বে না! তখন পেছনে হাত বেধে (সম্ভবত হাতকড়া লাগানো) বালুখেকো মো, বিলাল হোসেন সুন্দর-সুন্দর কথা বলবে!

স্রেফ ভঙ্গিটা দেখুন! কেবল কান ধরে উঠবস না; কী নির্বিকার ভঙ্গিতে, কী নিখুঁত নিশানায় এ লাথি মারছে, চড় মারছে! পুলিশ দাঁড়িয়ে কী তামাশাই না দেখছে!

এমন সত্যবাদি পুলিশ আপনি জগতে কোথাও পাবেন না যিনি ইউনিফর্ম পরে বলছেন, এটা পরেছেনই ঘুষ খাওয়ার জন্য!

সন্ত্রাসীর সামনে পুলিশ বুক চিতিয়ে দাঁড়াবে কিন্তু  রাজার সামনে প্রজা ওরফে পুলিশ যে প্যান্টে একটু ইয়ে করে দেবে এ আর বিচিত্র কী! তাও আবার সে 'মোহাম্মদপুরের রাজা'! এই তোরা বাজনা বাজা! 

এমন নির্মাণকাজ পৃথিবীর কোথাও আপনি খুঁজে পাবেন না! এটা একেবারেই আমাদের নিজস্ব টেকনলজি!

যে মানুষটা ৮০০ কোটি মানুষ নিয়ে মাথা ঘামায় তাকে আমি চিনি না—আমি নিজেকে আর মানুষ বলে দাবী করতে পারছি না!
তাকে স্যার না-বলে ভাই ডাকা হলো এ নিয়ে তিনি সংক্ষুব্ধ! কেন ভাই ডাকা? আহা, তাকে চুতিয়া ডাকলেও তিনি র মেনে নিতেন কিন্তু তাই বলে ভাই! হলি কাউ-পবিত্র গরু!

এই চিত্র-বিচিত্র দেশে খাটের নীচে থেকে কেবল তেলের খনিই উদ্ধার হয় না!

আস্ত অটোরিকশাও পাওয়া যায়!

এই বিচিত্র দেশে এই সমস্ত 'মহিলা চুতিয়ার' কাছ থেকে আমাদের শিখতে হয় কঠিন ধর্মীয় অনুশাসন!
যথারীতি পাশে বিরাট মাওলানা সাহেব!

পাগলাগারদ থেকে ছাড়া পেয়ে এই পাগলরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে! আটকাবার কেউ নেই!

আবার মেজর আখতার নামের এই মানুষটার প্রয়োজন ছিল চিকিৎসার অথচ সরকার নিয়ে গেল জেলখানায়!

পৃথিবীর একেক দেশে একেক নিয়ম! আমেরিকায় একজন নোবেল লরিয়েটকে ৪০ পারসেন্ট ট্যাক্স দিয়ে হয়।
তাই অধিকাংশ নোবেল লরিয়েট চ্যারেটিতে দিয়ে দেন, দান করে দেন। পৃথিবীতে কোথাও কোনও নোবেল লরিয়েট ট্যাক্স না-দেওয়ার জন্য ইতরের মত  আচরণ করেছেন এমন উদাহরণ নেই। ব্যতিক্রম আমাদের দেশ!
আমাদের দেশে সেসময় ট্যাক্স দেওয়ার নিয়ম থাকলেও, প্র, ইউনূস ট্যাক্স দিতে মোটেও রাজি ছিলেন না! এই নিয়ে আকাশ-জমিন এক করে ফেলেছিলেন!

এমন দেশেই সম্ভব ২৫০ শয্যার হাসপাতালে জরুরি বিভাগে একজন ডাক্তার দিয়ে চিকিৎসা দেওয়া। ক্যানোলা কেন করল না এই কারণে তাকে আবার পেটাতে যাওয়া!

কী-এক জাতি আমরা! একটা  জলজ্যান্ত মানুষকে রেলগাড়ির ছাদ থেকে ফেলে দিয়ে ফিরেও তাকাই না!

মহা বিজ্ঞানী আব্বাসী, যে আবিষ্কার করেছে, গুইসাপ বাঁচে ৭৫০ বছর—যার ব্রেনের ওজন ৬০ গ্রাম [১]! এই গবেষণা আর কেউ করতে পারেনি! সেই লোক জাতীয় সংগীত পরিবর্তন চাইছে এই যুক্তিতে—জাতীয় সংগীতের কথায় নাকি আকাশ-বাতাস আছে।
এইসব 'শিরকি কথা' নাকি হচ্ছে!

এমন একটা দেশ যেখানে কোটি-কোটি টাকা ব্যয় করে একজন মানুষের জন্য 'সোয়া জন' মানুষ পরামর্শ দেয়!
মানে ৩০০ জন মানুষের জন্য ৪৭৩ জন পরামর্শক!

এ এমন একটা দেশ যেখানে বিমানমন্ত্রী এম রশীদুজ্জামান মিল্লাত, যাত্রী নামার পর ৯ মিনিটে কনভেয়ার বেল্টে আন্তর্জাতিক লাগেজ হাজির করেন! 
এটা বিরল! পৃথিবীর অন্য নামকরা এয়ারপোর্টের লোকজনেরা কেমন করে ৯ মিনিটে লাগেজ দেওয়া যায় এটা শেখার জন্য স্মাদের দেসগে আসছে, দলে-দলে প্লেনে চেপে। অনেকে জায়গা না-পেয়ে প্লেনে দাঁড়িয়েও আসছে!
এই বিরল মন্ত্রী আবার আমাদেরকে খানিকটা বকাও দেন যে আমরা এতো অস্থির কেন—নামার সঙ্গে-সঙ্গে শূন্য মিনিটে লাগেজ দাবী করি! আপনারাই বলুন, আমরা এতো অস্থির কেন?

গোটা মিল্কিওয়েতেও এমন গ্রহ নাই যেখানে এমন পীরের জন্ম হয় যে কিনা কেয়ামতের ময়দানে বড়-বড় জাহাজ নিয়ে হাজির হবে। অবশ্য ওটা কি 'পানির জাহাজ' নাকি 'হাওয়াই জাহাজ' সেটা এখনও স্থির হয়নি!

এই গ্রহে এত দেশ কিন্তু খলিফা আবু বকরকে ছাড়িয়ে যান কেবল এক বঙ্গাল!

ভাবা যায়, এরা ৩ মিনিট বাতাস আটকে রাখলে পেছন দিয়ে বাতাস বেরিয়ে যায় আর এরা ঠিক করে দিচ্ছেন কে আগে জান্নাতে যাবে!


আমাদের দেশের যুবনেতা! 'ডন টু ডাস্ক'—সকাল থেকে সন্ধ্যা দেশ ও জাতির জন্য প্রায় না-খেয়ে থাকে! 
আহারে-আহারে, অথচ এই মানুষটাই বাসের সঙ্গে দৌড়ে বাসকে পিছু ফেলে দেয়!

একটা বিজ্ঞান-বিশ্ব বিদ্যালয়ের ভিসি। বলছেন, তার গায়ের যে ব্লেজার বা কোটটা, এটা ৫০ হাজার বছর আগেই নির্ধারিত!

এই যে আরেক ভিসি! ঘাতক সরি, টাইপিং মিস্টেক—গাতক। 
গান শুনে ইয়ে ভিজে গেল!

আমাদের দেশের আইনের শিক্ষার্থী! তিনি এটা-সেটা, ইসিজি মেশিন ভাঙ্গার পরও বলেন, 'আমি তেমন কিছুই করিনি'!
আইন ভাঙ্গা বলতে তিনি সম্ভবত খুন করা বুঝিয়েছেন!

'দিন-দাহাড়ে'—দিন দুপুরে যেভাবে আসামী প্রিজন ভ্যান থেকে গটগট করে হেঁটে যায় দেলওয়ার জাহান ঝন্টু গাঁজাখুরি বাংলা সিনেমায় এমন দৃশ্য সংযোজন করতে অস্বীকার করেন!

জিন্দা অলির দেশ! রাত সাড়ে তিনটায় ছোট-ছোট বাচ্চাদেরকে উঠিয়ে দেয়!

আর রাজনীতিবিদদের কথা বলে শেষ করা যাবে না!
সবাই মিলে যেভাবে ঝাড়ু দেন পেশাদার ঝাড়ুদাররা একেবারে কেন্দে দেয়!

নজরুল ইসলাম, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এরা বিএনপির পক্ষের লোক। এদের আগাম মৃত্যুতে প্রতিবাদ জানাই কারণ এঁরা 'বিএনপি'র মিছিল' করে যেতে পারলেন না।


সূত্র:
১. মহা বিজ্ঞানী আব্বাসী: https://www.ali-mahmed.com/2026/10/blog-post_12.html?m=1

 




 

Tuesday, October 13, 2026

ডিয়ার ইউনূস, আপুনি কেমন বোধ করিতেছেন?


আমেরিকান এয়ারপোর্টে যেটা হয়েছে সেটার সঙ্গে আমি একমত না কারণ এখানে দলবাজির বিষয় থাকার সম্ভাবনা প্রবল!
ইউনূসের সাথে যেটা করা হয়েছে এটাকে heckling বলে [*]। দাগ—দাগ থেকে শেখা হলে দাগই ভাল! কখনও-কখনও কারও-কারও পা থাকে আকাশে তখন সে কাঁদলেও গাল না, চুল ভেজে।
'কপোল ভিজিয়া গেল দু-নয়নের জলে—দুই ঠ্যাং বাধা আছে তমালের ডালে'!

প্র, ইউনূস নামের এই মানুষটার ওই সময়ে দায়িত্ব নেওয়ার বিকল্প ছিল, কি ছিল না সে ভিন্ন বিতর্কের বিষয়। এ-ও সত্য, ওই সময়টায় অনেক সীমাবদ্ধতার ভেতর কাজ করতে হয়েছে। এহেন কোন দিন নাই, এহেন কোন পক্ষ নাই যে দাবী আদায়ের জন্য রাস্তায় নেমে না-এসেছে! কিছু হলেই 'রাজুতে আয়'!
কিন্তু তারপরও প্রলয় থামানো না-গেলেও বিলম্বিত করা যেত কিন্তু প্র, ইউনূস নামের মানুষটা একের-পর-এক অপদার্থগিরি করে গেছেন!  
অসম্ভব স্পর্শকাতর পদে অপদার্থ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, অপদার্থ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মত লোকজনকে নিয়োগ দেওয়া। অতি নির্লজ্জ-অতি বেহায়ার মত নিজের প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য মুখ হাঁ করা। 

সেসব বাদ দিলেও, তারপরও একটা কিন্তু থেকে যায়! প্র, ইউনূস নামের মানুষটার 'এক চোখে জল এক চোখে ছল' দেখে আমরা অভ্যস্ত। হামে আমাদের শত-হাজার শিশু মারা যাচ্ছে তার কোন বিকার নেই—ভুলেও মুখ দিয়ে একটা, একটা শব্দ ব্যয় হয় না কিন্তু এই মানুষটাই চীনে কয়লা খনিতে মৃত্যু নিয়ে ফতুয়া ভিজিয়ে চিঠি লিখেন! 

এমনিতে আমরা তার লোভের চকচকে চোখ দেখে অভ্যস্ত [১] কিন্তু এই প্রথমবার তার ভয়ার্ত চোখ দেখলাম! ঠিক যেমন আমরা বিল গেটসকে দেখেছিলাম প্রকাশ্যে 'বাচ্চার মাংসখেকো' বলার পর বেত্রাহত কুকুরের মত পালিয়ে যাওয়া!
এটা বিরল...! 

সূত্র:
১. ইউনূসনামা: https://www.ali-mahmed.com/2026/05/blog-post_10.html?m=1

* 
In America Heckling is generally protected by the First Amendment, but it is not Absolute. It depends on where you are doing it.

When it is protected:

1.  In a public forum: Street, park, town hall meeting, public university campus - shouting at the government or a public figure, throwing questions at them is considered Protected Speech. It is considered "core political speech".

2.  The government cannot arrest you: Police cannot arrest you just for heckling, unless you break a law.

When it is not protected:

1.  On private property: If you heckle at someone's private event, concert, or comedy club, the owner can throw you out. The First Amendment only restricts the government, not a private owner.

2.  If it becomes a Disruption: If your shouting shuts down the event itself, then removing you is legal under "Time, Place, Manner" restriction. For example - continuous shouting during a class can be Disorderly Conduct.

3.  If it is a True Threat or Incitement: "I will kill you" or inciting a crowd to become violent - that is no longer heckling, that is a Crime.

Simply put: In America, heckling is protected because the government cannot shut your mouth, but that does not mean anyone is obligated to listen to you or that you cannot be thrown out of the hall.

Monday, October 12, 2026

মহা বিজ্ঞানী আব্বাসীর নাম ভুল করায় নিন্দা!

আচ্ছা, আপনি যদি হকিংকে পকিং বলেন বা গ্যালিলিওকে ল্যাল্যালিউ বলেন তাহলে কী আমরা মেনে নেব? নাকি মেনে নেওয়া উচিত! সরকারের একজন উপদেষ্টা রাশেদ কানের (টাইপিং মিসটেক, আসলে হবে খান—রাশেদ খান) এই মন্তব্যে প্রতিবাদ জানালুম। কারণ এমন একজন মহা বিজ্ঞানীর নামার ভুল মেনে নেওয়া যায় না!

এই যে 'মহা বিজ্ঞানী আব্বাসী' তার আবিষ্কারের বিষয়ে আমরা কতটুকু জানি?

১. যেমন আমরা জানি, গুই সাপ বা Monitor lizard বাঁচে ২০-৩০ বছর। ভুল!


তিনি গুই সাপের সঙ্গে কথা বলে, রি-সা-র্চ করে আবিষ্কার করেছেন গুইসাপ ৭৫০ বছর বাঁচে [১]।

সোবহান-আল্লাহ! যেহেতু তিনি বলতে বলেছেন, না-বলে আবার কোন গুনাহে গুনাহগার হই!

২. পুরুষের শরীরের নারীদের চেয়ে ৪গুণ লোহা—যে কারণে পুরুষদের ইয়ে বেশী! ইয়ে মানে ইয়ে আর কী—মানে কেবল পুরুষ ছোঁকছোঁকই করে না তার 'ইয়ের' শক্তিও বেশী। কতটা বেশী তা মহা বিজ্ঞানী আব্বাসী আঁক কষে দেখিয়ে দেবেন! [২]

আর বিশ্বাস না-হলে আপনি এই মহা বিজ্ঞানীকে বদনায় করে আপনার রক্ত দেন তিনি হাতে-হাতে দেখিয়ে দেবেন। বাট, নো চিটিং—রক্ত দেওয়ার সময় 'ইস্তারি সাহেবার' রক্ত মেশাবেন না তাহলে রেজাল্ট ঠিক আসবে না!

৩. এই মহা বিজ্ঞানী আব্বাসী বলছেন, একজন নারীর মগজ ৪০ গ্রাম পুরুষের ৬০ গ্রাম তাই পুরুষের চেয়ে নারীর বুদ্ধি কম [৩]। ওই হিসাবে পুরুষ মহা বিজ্ঞানী আব্বাসীর ব্রেন ৬০ গ্রাম!


অথচ পৃথিবীর সব বিজ্ঞানী বলছেন গড়ে মানুষের ব্রেন ১৩০০ গ্রাম! আরেকটু সহজ করে বললে, মগজের ওজন তার শরীরের ম্যাস বা ওজনের ২ ভাগ।

যেমন, আমার ওজন ৭০ কেজি হলে মগজের ওজন ১৪০০ গ্রাম। (অবশ্য আমার আশেপাশের অধিকাংশ মানুষের ধারণা আমার আদৌ কোন ব্রেনই নাই!)

যাই হোক, এটা এই পৃথিবীর সমস্ত বিজ্ঞানীদের হিসাব কিন্তু মহা বিজ্ঞানী আব্বাসীর হিসাব অন্য। আপনার বিশ্বাস না-হলে জাস্ট মগজটা খুলে দিলে তিনি পাথর-বাটখারা দিয়ে মেপে দেখিয়ে দেবেন।

একদা আমরা হয়তো দেখব যে মানুষটা কথায়-কথায় কাফের ফতোয়া দেন তিনি নিজেকে ব্যতীত তামাম লোকজনকে কাফের ফতোয়া দিয়ে বসে আছেন। হয়তো কোন একদিন এটাও দেখব, 'হেলিকপ্টার হুজুর' নামে পরিচিত এই মহা বিজ্ঞানী রশি দিয়ে বেঁধে হেলিকপ্টার নিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু এই তিনিই তার ওয়াজে লাইভ করতে দেন না। কেন? ওয়াজ লাইভ করে নাকি ব্ল্যাক ম্যাজিক করা হয়!   

এত ব-ড়-ড় একজন বিজ্ঞানী আব্বাসী, কেবল ব্ল্যাক-ম্যাজিক বা কালো জাদু থেকে বাঁচার জন্য কোন 'ক...ছাতা' আবিষ্কার করতে পারলেন না!
মোল্লারা যে মাহফিল করে টাকা নেন এই বিষয়ে কিন্তু 'কবি নিরব'! মসজিদে ইমামতি করে, মাদ্রাসায় পড়িয়ে যাও টাকা নেওয়া চলে কিন্তু মাহফিলের নামে টাকা নিয়ে এরা স্রেফ ধর্মকে বিক্রি করছে!
এক আব্বাসিই এক মাহফিলে নেন মিনিমাম ৪০ হাজার টাকা। এই লোকের আবার হেলিকপ্টার ছাড়া চলে না কারণ একাধিক মাহফিল করতে হয়। গড়ে ১ লাখ টাকা ধরলে মাসে আয় ৩০ লাখ টাকা! ধরে নেন আব্বাসীর দাস্ত বা বিভিন্ন কারণে ১০ লাখ বাদ—তাও মাসে ২০ লাখ!
এবং বিধবা-দরিদ্র একজন মহিলা ব্যাংকে টাকা রাখলে সরকার তাঁর কাছ থেকেও ট্যাক্স কেটে রাখবে। কিন্তু আব্বাসীর অন্যায্য টাকা ট্যাক্স ফ্রি। আবার এই আব্বাসীই ওই অসহায় দরিদ্র মহিলা হারাম খান বলে ফতোয়া দেবেন কিন্তু নিজের বেলায় বোবা হয়ে যাবেন। 

সূত্র:

১. গুইসাপ বাঁচে ৭৫০ বছর: https://www.ali-mahmed.com/2025/08/blog-post_2.html?m=1

২. ৪০ গ্রাম ব্রেন: https://www.ali-mahmed.com/2026/06/blog-post_09.html?m=1





Saturday, October 10, 2026

আবহসংগীত পরিচালক বনাম ধৈর্য্যচ্যুতি!

আগে কি অসাধারণ নাটক হতো! সেইসব দিনগুলো! টেলিভিশন মানেই একমাত্র এবং অন্য রকম ভাললাগা!

তীব্র জ্বর নাকি ভালুকজ্বর তাতে আমাদের কী আসে যায়—কোন ভালমন্দবোধ থাকত না! কোন সিনেমা-নাটক হলে সোজা টিভির সামনে।

কিন্তু একটা বিষয় বড় বিরক্তিকর ছিল।আবহসংগীতের নামে যে বাদ্য বাজত তা অত্যাচারের সামিল! নমুনা:

এগুলোর আবহসংগীত পরিচালক বা মিউজিক ডিরেক্টর (Music Director)-কে কোত্থেকে ধরে আনা হতো কে জানে! এদের অত্যাচারে সংলাপ বোঝা দায় অথচ মাহফুজ এবং প্রয়াত শর্মিলী আহমেদের কী অসাধারণ অভিনয়!
ভাগ্যিস, সরকার আমাদের মত মানুষকে আর্মসের অনুমতি দেয় না নইলে টিভি বরাবর সোজা গুলি চালিয়ে দিতুম :)





Wednesday, October 7, 2026

আমাদের 'বি চৌধুরী'—এক নক্ষত্রের বিদায়!

আবুল কাসেম মোহাম্মদ বদরুদ্দোজা চৌধুরী—যিনি বি, চৌধুরী নামে সমধিক পরিচিত ছিলেন।

আমাদের দেশের অসাধারণ একজন মানুষ! যেমন অসাধারণ ডাক্তার তেমন একজন বাকনিপুন-বাকপটু...! কী ছিলেন না তিনি?

 ভিডিও ঋণ: মাহি বি চৌধুরী

জীবনে কোন ভুল করে থাকলে সেটা হচ্ছে রাজনীতিতে আসা...। বিএনপির পররাষ্ট্রমন্ত্রী থেকে রাষ্ট্রপতি হয়েছিলেন। কিন্তু বিএনপির 'পুতুল রাষ্ট্রপতি' হতে না-চাওয়ার কারণে  তাঁকে রাষ্টপতির পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছিল!

কেমনতরো পুতুল, পুতুল রাষ্ট্রপতি হতে হয়! আমাদের দেশে একজন রাষ্ট্রপতিকে ক্রমশ একজন দলের লোক  হতে হয়!

সাবেক রাষ্টপতি বি চৌধুরীর সাথেও বিএনপির মতের মিল না-হওয়ার মূল কারণ ছিল—২০০২ সালের ৩০ মে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে তার কবরে না-যাওয়া!

একটা রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি নিরপেক্ষ থাকতে চেয়েছিলেন। তাঁর কবর-মাজার পরিদর্শনে না-যাওয়ার সিদ্ধান্ত একশো ভাগ সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল। তিনি তো বিএনপির রাষ্ট্রপতি ছিলেন না, ছিলেন গোটা রাষ্ট্রের।

এমনিতে কবর ওরফে মাজার জিয়ারতের নামে যেটা হয় তা এক অসভ্য প্রতিযোগিতা।
কল্পনা করা যায়, এরাও মানুষ! আচ্ছা, এদের পরিবার নাই—ওরা দেখে না এসব!

আহ, বি চৌধুরী নামের এই মানুষটাকে অমর্যাদার সঙ্গে কেবল বিদায় দেওয়া হয়নি; হেনেস্তাও করা হয়েছিল, চরম হেনেস্তা! পান্ডারা তাঁর উপর মটরসাইকেল তুলে দিয়েছিল, লাঞ্চিত করেছিল।

ছবি ঋণ: প্রথম আলো, ১২.০৩.০৪


Monday, October 5, 2026

মেজর আখতারুজ্জামান, 'বহু মুখ'-এর অধিকারী!

যিনি মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান রঞ্জন বা (মেজর আখতারুজ্জামান) নামে অধিক পরিচিত।

আমাদের প্রজন্মের কাছে তিনি পূর্বে কোন দল করতেন তা ছাপিয়ে যায়, তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা! আমাদের বড় আবেগের জায়গা। এই মানুষটাই তখন ব-ড়-ড় মুখ করে মুক্তিযুদ্ধ-মুক্তিযুদ্ধ বলতেন:

দেশ তখন উত্তাল—কোটা বিষয়ে সে সময়ে শেখ হাসিনাকে নিয়ে যে ভঙ্গিতে, যে মুখে ডিফেন্ড করছেন তা সম্ভবত তাকেই মানায়! 

এখানে আমরা দেখছি জামায়েত ইসলামি-কে তিনি যে মুখে বাংলা সাবান (এই প্রজন্ম এটা চিনবে না, সাবানটা গোল হত) দিয়ে ধুয়ে দিচ্ছেন! ধোপাও সম্ভবত লজ্জা পাবে!
জোকস এপার্ট—তিনি জামায়েত ইসলামিতে যোগ দিয়েছেন। এখন এদের নিয়ে যে মুখে সুন্দর-সুন্দর কথা বলেন! 
আহা, স্যারের একটা মুখ দৃশ্যমান, অন্যগুলো অদৃশ্য! 

হালে বিমানবন্দরে অসঙ্গতি নিয়ে যে মুখ করে, কথা বলতে গিয়ে তিনি যে আচরণ করেছেন তা ভীতিকর!
যে ভঙ্গিতে হেলমেট ছুড়ে মারলেন এটায় কারও মাথা ফেটে গেলে তো আরেক ধারা যোগ হতো!

ছিল জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন—বেকুব সরকার নিয়ে গেল কয়েদখানায়!




Saturday, October 3, 2026

সেলাম জানাই গো—'মুন এলার্ট', 'ওয়ালটন'!

Mun Alert:  (https://www.facebook.com/share/19X2ev8aB1/)

"কোন শিশু নিখোঁজ বা হারিয়ে গেলে মুহূর্তে শিশুটির তথ্য ভেসে উঠবে দেশজুড়ে ৭০০+ ওয়ালটন প্লাজার ডিসপ্লেতে থাকা টিভির স্ক্রিনে। চলুন জেনে নিই মুন অ্যালার্ট ও ওয়ালটন প্লাজার এই পার্টনারশিপ কিভাবে কাজ করবে ।

একটি শিশু নিখোঁজ হলে প্রথম ৩ ঘণ্টা সব চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ে প্রতিটি সেকেন্ড মিনিটকে কাজে লাগাতে হবে শিশুকে নিরাপদে উদ্ধারের জন্য । বাবা মা পরিবার ও পুলিশের পাশপাশি কমিউনিটিকে যুক্ত করতে হবে নিখোঁজ শিশুটিকে খোঁজার এই মিশনে । 

কোন শিশু হারিয়ে গেলে আপনি শিশুটির ছবি এবং প্রয়োজনীয় তথ্য নিকটস্থ Walton Plaza জমা দিলেই মুহূর্তে ছড়িয়ে যাবে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। অথবা আমরা প্রায় ফেসবুকে দেখি রাস্তায় কোন শিশুকে কান্না করতে যে তার বাবা মাকে হারিয়ে ফেলেছে মোবাইল নাম্বার বা ঠিকানা ঠিকমত বলতে পারছে না। এমন পরিস্থিতে আপনি থানা অথবা নিকটতম ওয়ালটন প্লাজায় শিশুকে নিয়ে গেলে সাহায্য পাবেন। মুন অ্যালার্ট এর ভলান্টিয়রা পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করবে। এছাড়া আমাদের টোলফ্রী হেল্পলাইন  13 2 19 নম্বরে কল করে তথ্য দিলেও হবে।

একই সঙ্গে শিশু নিখোঁজ প্রতিরোধে বিভন্ন সচেতনতা মূলক উদ্যোগ গ্রহন করা হবে এই লক্ষ্যে গত (২৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ওয়ালটন করপোরেট অফিসে ওয়ালটন প্লাজা এবং মুন অ্যালার্টের মধ্যে এক পারস্পরিক সমঝোতা চুক্তি (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়। নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ রায়হান এবং মুন অ্যালার্ট এর প্রতিষ্ঠাতা প্রতিষ্ঠান জিরো মিসিং চিলড্রেন ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট সাদাত রহমান।

এই মুহূর্তে স্বল্পপরিসরে চালু করা হয়েছে অতিদ্রুত দেশব্যাপি ব্যাপক পরিসরে বাস্তবায়ন করা হবে। ওয়ালটনকে বিশেষ ধন্যবাদ আমাদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসার জন্য এইভাবে আমরা সকলে মিলে এমন বাংলাদেশ গড়ে তুলবো যেন ১টি শিশু এক মুহূর্তের জন্য হারিয়ে না যায় ।"




#Zero_Missing_Children

লেখা: Mun Alert:  (https://www.facebook.com/share/19X2ev8aB1/)

...

বাচ্চারা কিভাবে হারায় তার একটা অসাধরণ প্রতিবেদন পাওয়া যাবে এখানে:


ভিডিও ঋণ: The Daily Star




WhatsApp